চাণক্যের শিক্ষাই মানুষকে জীবনে সফল হওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। প্রতিটি ব্যক্তি তাদের ক্ষেত্রে সফল হতে চায়। চাণক্যের নীতি অনুসারে, সাফল্যের পথ খুব কঠিন নয়, তবে সাফল্য পেতে অবশ্যই কঠোর শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রম অবলম্বন করতে হবে। চাণক্যের মতে, সাফল্য সেই ব্যক্তির কাছে আসে যিনি নির্ধারিত পথে চলেন । চাণক্যের নীতি অনুসারে, সাফল্য অর্জনের জন্য এই ৫ টি জিনিস সব সময় মনে রাখা উচিত, না হলে সাফল্য লাভ করতে সমস্যার সম্মুখীণ হতে হয়।

লক্ষ্য নির্ধারণ- সাফল্য অর্জনের জন্য একজন ব্যক্তির প্রথম লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত। এর পরে, ব্যক্তির একটি কৌশল তৈরি করা উচিত এবং সেই মত কাজ করা উচিত। সাফল্য অর্জনের জন্য দৃঢ় কৌশল তৈরি না করা ব্যক্তিরা সাফল্য পেতে অসুবিধার মুখোমুখি হন।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন- যারা সাফল্য অর্জন করেন, তারা সুশৃঙ্খল জীবনধারা গ্রহণ করেন। কারণ জীবনযাত্রা পরিবর্তন না করে সাফল্য অর্জন করা কঠিন। অতএব, সবার আগে, জীবন যাত্রার পরিবর্তন করা উচিত। আজকের কাজটি আগামীকাল করবো এই মনোভাব এড়ানো উচিত। যতক্ষণ না আজকের কাজটি আগামীকাল স্থগিত করার প্রবণতা রয়েছে ততক্ষণ সাফল্য অর্জন করা যায় না। এর জন্য সময়ের গুরুত্ব বুঝতে হবে।

শ্রমের কোনও বিকল্প নেই- সফল হতে গেলে সর্বদা কঠোর পরিশ্রমের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। যতক্ষণ না ব্যক্তির কাজ সফল হচ্ছে, ততক্ষণ সেই ব্যক্তির কঠোর পরিশ্রম করা উচিত।

সময় পরিচালনা- সময় পরিচালনার কথা মাথায় রাখুন। সময় মতো পরিচালনার জ্ঞান সময় মতো কাজ শেষ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে ব্যক্তি সময় মতো তার সমস্ত কাজ সমাপ্ত করে, সাফল্য তার থেকে খুব বেশি দূরে নয়।

ভুল থেকে শিখুন- ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। যারা তাদের ভুলগুলি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং এগুলি কাটিয়ে ওঠে তারা খুব শীঘ্রই সাফল্য অর্জন করে। সাফল্য অর্জনে অনেক বাধা রয়েছে। বাধা এলে ব্যক্তির সাহস হারানো উচিত নয়। ধৈর্য ও সাহস ধরে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা উচিত ,সাফল্য জীবনে ধরা দেবেই।