প্রত্যেকেই নিজের জীবনের সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে তাদের নিজস্ব উপায়ে সমাধানের চেষ্টা করেন। জ্যোতিষশাস্ত্রে দারিদ্র্য দূরীকরণে অনেক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের উল্লেখ রয়েছে। এটি স্বীকৃত যে এই ব্যবস্থাগুলি অবলম্বন করে অনেকগুলি সমস্যা দূর হয়। সমস্যা সমাধানের জন্য জ্যোতিষশাস্ত্রে ধানের বিশেষ ব্যবহার বর্ণনা করা রয়েছে।

পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে হিন্দুধর্মে ধানের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। নানান মাঙ্গলিক কাজে ধান ছাড়া মঙ্গলকার্য সম্পন্ন হয় না। একে লক্ষীর প্রতীক রূপে পুজো করা হয়।  ঈশ্বরের কাছে অর্পণ করা হয়। এমনকী মঙ্গলকামনা করে যখন কোনও ব্যক্তিকে তিলক পরানো হয়, তাতেও ধান প্রয়োগ করা হয়। নিঁখুত ধাণ ঘরের দারিদ্র্যতা দূর করতে পারে বলে মনে করা হয়। প্রতি বৃহস্পতিবার ধানের ছড়ায় তেল-সিঁদুর এর ফোঁটা দিয়ে তাতে ধূপ-ধুনো দেখান। এতে মা লক্ষ্মী সন্তুষ্ট হন। পুজো করা ধানের ছড়ার কিছুটা অংশ রান্নাঘরে চাল রাখার জায়গায় রেখে দিন। কোনও দিও মা লক্ষ্মীর কৃপায় অন্নকষ্টে ভুগবেন না।

এছাড়া আপনি যদি আর্থিক সমস্যায় ভুগে থাকেন তবে সোমবার ধানের ছড়া বাড়িতে কিনে আনুন। তা শিবলিঙ্গের দান করুন। এর সঙ্গে কিছুটা আতপ চালও অর্পণ করুন এবং অবশিষ্ট চাল দরিদ্রদের জন্য দান করুন। আপনি পূর্ণ সোমবারের পরের সোমবার থেকে এই প্রতিকারটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এই প্রতিকার পাঁচটি সোমবার পালন করা উচিত। আপনি যদি কোনও চাকরীর সন্ধান করছেন বা বর্তমান অফিস নিয়ে চিন্তিত রয়েছেন তবে মিষ্টি ভাত তৈরি করে কাক-কে খাওয়ান দ্রুত উপকার পাবেন।