জ্যোতিষশাস্ত্র প্রায়ই একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ব্যাখ্যা করার জন্য এবং তার জন্মের সময় সূর্য, চন্দ্র, এবং অন্যান্য জ্যোতিষ্কগুলির অবস্থানের উপর ভিত্তি করে তার জীবনের ভবিষ্যদ্বাণী করেন। অনেক সংস্কৃতির মধ্যেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতীয়, চীনা ও মায়া সভ্যতার অধিবাসীগণ মহাকাশ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পার্থিব ঘটনাগুলির ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য এই বিষয়ের চর্চা এবং উন্নয়ন সাধন করেছিলেন। এই জ্যোতিষশাস্ত্রের মধ্যে আরও একটি বিষয় রয়েছে, যা হল হাতের রেখা দেখে ভাগ্য নির্ণয়। 

হস্তবিশারদরা হাতের রেখা দেখে ভাগ্য নির্ধারণ করেন। তাদের মতে, ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই হাত দেখলে অনায়াসে নিজের ভাগ্য নিজেই ফেরাতে পারবেন। হস্তবিশারদরা বলছেন চোখ খুলে প্রথমেই যদি আপনি নিজের হাতের দিকে একবার তাকান, তবে ম্যাজিকের মত আপনি নিজের ভাগ্য বদলে ফেলতে পারবেন। এর জন্য প্রতিদিন সকাল ঘুম থেকে উঠে কিছু সময়ের জন্য নিজের দুই হাতের তালুর দিকে তাকিয়ে তারপর নমষ্কার করুন। কারণ শাস্ত্র মতে, মনে করা হয় হাতের উপরিভাগে মা লক্ষ্মী, মধ্যভাগে মা সরস্বতী ও নীচের অংশে ভগবান বিষ্ণুর স্থান। এই কারণে সকালে উঠে সবার আগে নিজের হাত দেখে তবেই দিন শুরু করার পরামর্শ দেন হস্তবিশারদরা।

একই সঙ্গে নিজের ভাগ্য ফেরাতে ময়দার লেচির মধ্যে চিনি মিশিয়ে ছোট ছোট গুলির আকারে তৈরি করে পিঁপেড়ের উদ্দেশ্যে রেখে দিন। এতে সমস্ত পাপের মুক্তি ঘটে। এই পূণ্য কাজের জন্য সকল মনের ইচ্ছে পূরণ হবে। হিন্দু শাস্ত্র মতে, মনে করা হয় গরু অত্যন্ত পবিত্র ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাহন। তাই গরুকে খাওয়ালে সমস্ত দেবতা সন্তুষ্ট হন এবং তাঁধের কৃপাদৃষ্টি আপনার উপর বজায় থাকবে। বড়দের আশীর্বাদ নিয়ে তবেই কোনও কাজ শুরু করুন। কোনও শুভ কাজে বেরনোর আগে বড়দের প্রণাম করে তারপরেই বাড়ি থেকে বেড় হন। এতে আপনার রাশির বীপরিতে থাকা সমস্ত গ্রহগুলি রাশির অনুকূলে হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে শুভ ফল দেয়।