স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্যশাস্ত্র চারটি উপবেদের অন্যতম।  প্রায় ৫০০০ বছর ধরে বাস্তুবিদ্যা কালের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রামে জয়ী হয়েছে। বৈদিক যুগে স্থাপত্য বিজ্ঞান মূলত মন্দির নির্মাণে ব্যবহৃত হত। পরবর্তীতে তা বিস্তার লাভ করে। শাস্ত্র অনুযায়ী রয়েছে চার দিক যেমন, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, ও চার কোন যেমন- ঈশান, নৈর্ঋত, অগ্নি এবং বায়ু। আর আপনার বাস্তুতে এই প্রত্যেকটি দিক বা কোনের রয়েছে আলাদা আলাদা গুরুত্ব। তাই সমস্ত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে বাস্তুর কিছু নিয়ম পালন করা গুরুত্বপূর্ণ। 

কোনও ব্যক্তির ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা কেবল অনুমান করে মাত্র, কখনোই সিদ্ধান্ত জানায় না। এই অনুমানের উপর ভিত্তি করেই ব্যক্তি তার ভবিষ্যতের অনুমান করা কোনও সমস্যার প্রতিকার নিতে সক্ষম হয়। তাই বাস্তুমতে ভালো চাকরি পাওয়ার জন্য কেরিয়ারে উন্নতি করার জন্য বাস্তুর এই নিয়মগুলি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। জেনে নেওয়া যাক সেই নিয়মগুলি-

১) বাস্তুমতে ঘরের উত্তর দিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। এই দিক বাস্তু মতে জীবনের প্রধাণ দিক, যাকে পাথ অফ লাইফ বলা হয়। এই দিকই কেরিয়ারে যাবতীয় পজিটিভ শক্তি বহন করে নিয়ে আসে। তাই বাস্তুমতে ঘরের উত্তর দিকে একটি বিশ্বের মানচিত্র রাখতে পারলে কর্মজীবনের যাবতীয় বাধা দূর হয়। পাশাপাশি কেরিয়ারের পথও প্রশস্থ হয়।

২) এই দিকে কর্মক্ষেত্রে বা বাড়িতে মেটালের যে কোনও ফেঙ শুই বা মেটাল বল রাখতে পারেন, যা কেরিয়ারের জন্য অত্যন্ত শুভ।  আরও ভালো হয় যদি এই দিকে জলের অথবা আয়না রাখার ব্যবস্থা করা যায়।

৩) সম্ভব হলে বাড়ির এই দিকে কালো অথবা নীল রং করতে পারেন। পাশাপাশি নজর রাখতে হবে বাড়ির প্রধাণ দরজার সামনে যেন খোলা থাকে। কোনওভাবেই যেন সেই পথে যেন কোনও বাধা না থাকে।

৪) কখনোই নেগেটিভ চিন্তা-ভাবনা মনে আনবেন না। সব সময় ভালো কথা চিন্তা করুন। পাশাপাশি বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে যে কোনও ফেঙসুই বা বাস্তু মতে শুভ কোনও জিনিস রেখে দিন। এই দিক আয় ও উন্নতির পথ প্রশস্থ করতে সাহায্য করে।