Asianet News BanglaAsianet News Bangla

দেবীপক্ষে এই কাজ করলে সোনা দানের থেকেও বেশি পুণ্যলাভ হয়, জেনে নিন সেই টোটকা

  • আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে শুরু হয় মায়ের আরাধণা
  • ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত চলে মায়ের পুজো
  • এই পক্ষটিকে দেবীপক্ষ নামে পরিচিত
  • এই সময়ে সামান্য এই কাজে সোনা দানের থেকেও বেশি পুণ্যলাভ হয়
     
Follow these rituals for in Devi Paksha to get God grace BDD
Author
Kolkata, First Published Oct 11, 2020, 1:55 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

শুধু বাংলা বা বাঙালিরা নয় পূর্ব ভারতের অসম, বিহার, উড়িষ্যা, ঝাড়খণ্ডে দুর্গাপূজা বহুলভাবে উদযাপন করা হয়। উত্তর ভারতে এটি নবরাত্রি হিসাবে পালন করা হয়। ভারতীয় উপমহাদেশের একাধিক রাষ্ট্র দুর্গাপূজা পালন করে এবং বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরাও দুর্গাপূজা পালন করে। সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিন তথা ষষ্ঠীর থেকে আরম্ভ করে দশমী পর্যন্ত হয়ে থাকে এই দুর্গোৎসব। এই পাঁচ দিন যথাক্রমে দুর্গা ষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়া দশমী নামে পরিচিত। এই পক্ষটিকে দেবীপক্ষ নামে পরিচিত। এই সময়ে সামান্য এই কাজে সোনা দানের থেকেও বেশি পুণ্যলাভ হয়। জেনে নিন সেই কাজ

দেবীপক্ষে কিছু নিয়ম পালনের মাধ্যমে মানুষ সকল পাপ থেকে মুক্তি পায় বলে মনে করা হয়। দেবীপক্ষে মা দুর্গার উপাসনা আশীর্বাদ নিয়ে আসে জীবনে। এছাড়া অত্যন্ত পুণ্য লাভ হয়ে বলে মনে করা হয়। এটি বিশ্বাস করা হয় যে দেবীপক্ষে উপবাস করে অষ্টমি তিথি শেষ নবমী তিথিতে কুমারী পুজো করলে দীর্ঘায়ু লাভ হয়। অর্থাৎ তাদের আয়ু বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশী জীবন ধারায় কোনও বিরাট সমস্যার সম্মুখীণ হতে হয় না। দুর্ঘটনা থেকে নিরাপদে থাকা যায়। 

এছাড়া দেবীপক্ষে সূর্যোদয়ের আগে উঠে স্নান সেরে সূর্য প্রণাম করা উচিৎ। যদিও এই বছর মহামারীর কারণে মন্দির দর্শন এবং তীর্থযাত্রীদের গঙ্গাস্নান এড়ানো উচিত। এই দিনে ঘরেই স্নান সেরে দুই ফোঁটা গঙ্গা জল ছিটিয়ে নিন। এই পবিত্র তিথিতে, মাটির পাত্রটিতে জল দিয়ে পূর্ণ করুন। এতে কিছুটা আতপ চাল ও পঞ্চশষ্য এবং কিছু মুদ্রা রেখে লাল কাপড় দিয়ে বেঁধে দিন। তারপরে ঠাকপর ঘরে রেখে দিন। দশমীতে মাকে বরণ করার সময় পায়ের পায়ে এই পাত্র ছুঁয়ে নিয়ে আসুন।

Follow these rituals for in Devi Paksha to get God grace BDD

মনে করা হয় দেবীপক্ষে এই নিয়ম পালনে উপবাসকারী সংসার সুখ ও সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে। পুরাণ অনুসারে, এই দিনটিতে তিল, শস্য এবং জল দান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুদানগুলি সোনার, রৌপ্য, হাতি এবং ঘোড়ার অনুদানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য ও জল দান করে মানুষ, দেবতা, পূর্বপুরুষরের সকলেই তৃপ্তি পান। ফলে জীবনের যাবতীয় সমস্যা ও বাধা বিপত্তি কেটে যাওয়ার সম্ভানা থাকে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios