সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই ভারতীও উপমহাদেশে শিল্পচর্চাকে ঊর্ধ্বে স্থান দেয়া হয়েছে। স্থাপত্যশৈলী উপবেদের অন্যতম বিষয়। স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্যশাস্ত্র চারটি উপবেদের অন্যতম। স্থাপত্য উপবেদ আবার অথর্ববেদ থেকে এসেছে। প্রায় ৫০০০ বছর ধরে বাস্তুবিদ্যা কালের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রামে জয়ী হয়েছে। স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্য শাস্ত্রের সূত্রগুল পরবরতিকালে 'বাস্তুশাস্ত্র' শিরোনামে লিপিবদ্ধ হয়েছে। 

বাস্তুশাস্ত্রের মতে, অর্থ সম্পর্কিত সমস্যা বেশিরভাগ বাড়িতেই থাকে, যা আমরা উপেক্ষা করি। আপনি যদি কিছু বিষয় মাথায় রাখেন তবে আপনার বাড়িতে উপস্থিত বাস্তু ত্রুটিগুলি মুছে ফেলা যায় এবং আর্থিক সমস্যাটি একটুতেই সমাধান করা যেতে পারে। এই টিপস মেনে চললে, আপনি আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এর জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যা আপনার বাড়িতে কোনওদিন অর্থ সমস্যা ঘটতে দেবে না।

১) ঘরের মূল দরজাটি পরিষ্কার রাখুন এবং তার চারপাশের দেয়ালের রঙ পরিবর্তন করুন। এর ফলে মা লক্ষ্মীর বাসভবন ঘরে থাকে এবং অর্থের অভাব হয় না।

২) যদি আয়ে বার বার বাধাগ্রস্ত হয় বা আপনি কঠোর পরিশ্রম অনুসারে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম না হন তবে কোনও ভারী বা শক্ত জিনিস আপনার শয়নকক্ষের অভ্যন্তরে বাম কোণে রাখুন। এটি করে, কোনও আর্থিক সঙ্কট দেখা দেবে না।

৩) আপনার ঘরের ছাদে বা বারান্দায় একটি পাত্রে জল এবং শস্য রাখুন যাতে পাখিরা খাবার পেতে পারে। বাস্তুমতে, পাখিগুলি তাদের সঙ্গে ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে, যা অর্থ-সম্পর্কিত বাধা এবং জটিলতাগুলি দূর করে।

৪) বাড়ির উত্তর-পূর্ব দেয়ালে গণেশের ছবি রাখুন। বাস্তুশাস্ত্রের মতে অর্থ বাড়তে রাখতে লক্ষ্মীর সঙ্গে ভগবান গণেশের সন্তুষ্ট হওয়া জরুরী।

৫) শোওয়ার ঘরের জানালায় একটি স্ফটিক ঋুলিয়ে রাখুন। এর ফলে ওই জানলা দিয়ে ঘরে যে আলো আসবে তা ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসবে। সেই সঙ্গে ঘরে কখনও অর্থের কোনও সমস্যা হয় না। এটি আপনাকে স্বাস্থ্যকর এবং শক্তিশালী করে তুলবে। 

৬) বাড়িতে একটি অ্যাকোয়ারিয়াম রাখুন সেখানে কালো এবং সোনালি মাছও রাখুন । এই মাছগুলি নেতিবাচক শক্তি অপসারণ করে ধনাত্মক শক্তি বাড়াতে কাজ করে।

৭) ঘরে একটি আয়না এমনভাবে রাখুন যাতে এর প্রতিবিম্বটি বাড়ির আলমারিতে পড়ে। এটি খরচ কমাতে ও হিসাবের সামঞ্জস্য রাখতে সহায়তা করে। এটি পুঁজি বা সঞ্চয় বৃদ্ধি করে।