অনেকে অনেক বড় করে ঠাকুরঘর বানিয়েও বাস্তবিক জীবনে শান্তি পান না। অর্থ থাকলেও শরীর অস্থিরতায় ভরে থাকে। আবার অনেকেই বিশাল কিছু না করেও স্বল্প সাজে মন্দির বানিয়েও সুখ সমৃদ্ধি পরিবারে নিয়ে আসেন। তবে বাস্তুর নিয়ম মেনে যদি ঠাকুর ঘর বানানো যায়, সবক্ষেত্রেই শান্তি আসবে। সাফল্য় আসবে জীবনে। তাহলে এবার ঠাকুরঘরের বাস্তুর সেই নিয়ম রীতি গুলি জেনে নেওয়া যাক।

আরও দেখুন, তুলা রাশির বন্ধুদের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে, দেখে নিন আপনার রাশিফল

  বাড়ীর শোবার ঘরকে কখনোই ঠাকুর ঘর করবেন না, বা ঠাকুর রাখবেন না। রাখলেও কিছু নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে। শোবার ঘরে ঠাকুরের ক্যালেন্ডার রাখাও উচিত নয়।  বাড়ীর টয়লেট-এর পাশেও কখনোও ঠাকুর ঘর করবেন না। কারন এতে সেই পবিবারের পবিত্রতা ধীরে ধীরে কমে যায়। ঠাকুর ঘর সাধারনত বাড়ীর উত্তর-পূর্ব কোণে (ঈষাণ কোণ) তৈরী করা সবথেকে শুভ। তবে উত্তর-পূর্ব কোণ (ঈষাণ কোণ) ছাড়াও বাড়ীর পূর্ব দিকে ঠাকুর ঘর তৈরী করা যেতে পারে। কখনোই ঘরের কিংবা বাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে (নৈঋত কোণ) ঠাকুর ঘর করবেন না,এটা ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্র মতে অশুভ।

আরও পড়ুন, শ্রাবণ মাসে সূর্যাস্তের পর এই জিনিসগুলি দান করবেন না, অন্যথায় দেখা দেবে চরম দুর্ভোগ
 
ঠাকুর ঘরে পুজার জন্য ব্যবহৃত গঙ্গা জল সর্বদাই আপনারা গঙ্গায় জোয়ারের সময়ই নিয়ে আসবেন,কারন হিন্দুধর্ম অনুসারে যেকোনো ধর্মীয় পুজার সময় জোয়ারের সময়ের গঙ্গা জলই সেই পুজাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অনেকেই ঠাকুর ঘর বাড়ীর ছাদে তৈরী করেন,কিন্তু এটা ভারতীয় বাস্তু শাস্ত্র মতে খুব অশুভ না হলেও,ছাদে ঠাকুর ঘর করা উচিত নয়। হিন্দুধর্ম মতে ভগবান সর্বদা মানুষের সঙ্গেই বসবাস করেন। কখনোই ঠাকুর ঘরে ঝুল জমতে দেবেন না,কারণ এটা অশুভ। ঠাকুর ঘরে একই দেবতার ছবি কিংবা মূর্তি একাধিক রাখা উচিত নয়,কারন তাতে পুজা করলেও সেই পূজার ফল কিছুই পাওয়া যায় না। তাই যেকোনো দেবতার ছবি একটা রাখাই শুভ। আপনার আরাধ্য দেবতার প্রকার ভেদে ঘরের পরিমাপ করা প্রয়োজন। ঠাকুরঘরের রং-  সাধারনভাবে নীলাভ, সিলিং- সাদা দিতে পারেন। কিন্তু দেবতা ও জাতকের রাশি বা বাস্তুদোষ ভেদে রং-এর পরিবর্তন করতে হবে।