আপনি, আপনার জীবনটাকে আরও সুন্দর করতে চান, কিন্তু অনেক সময় অনেক রোজগার সত্ত্বেও অনেকসময় তা সম্ভব হয়না। বাড়িতে লেগেই থাকে নানা অশান্তি। আপনারা হয়তো স্বামী-স্ত্রী একে অপরের থেকে নিস্তার চাইছেন। রোজকার এই ঝামেলায় আপনারা বিরক্ত।  তাই জীবনে এগিয়ে যেতে হলে, আরও কিছু উপলব্ধি প্রয়োজন। যা আপনাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আর তার জন্য় দরকার বাস্তুর সম্পর্কে সম্য়ক জ্ঞান লাভ করা। তাহলে কীভাবে বাস্তুর নিয়ম মেনে আপনি আপনাদের দাম্পত্য়জীবনকে আরও সমৃদ্ধময় করে তুলবেন, জেনে নিন-

১। আপনাদের শোওয়ার ঘরটি অবশ্য়ই যেন পূর্বদিক করে হয়। খাটটা যেন দক্ষিণ-পূর্বদিকেই পাতানো হয়।সূর্য রশ্মি আপনাদের ঘরে প্রবেশ করে। তবে কোনও ভাবেই যেন তা আপনাদের ঘরের ড্রেসিং টেবিলে প্রতিফলিত না হয়।

২। হিন্দু শাস্ত্র মতে, বিবাহিত মহিলারা শাঁখা-পলা পরেন। এটা কিন্তু নিছকই কোনও রীতিনীতি বা নিয়ম নয়। আসলে শাঁখা-পলা পরলে বাস্তুমতে যেমন শুভ, তেমনই এর উপাদান মহিলাদের শরীর ঠান্ডা রাখে। তাই এটা পড়লে দাম্পত্য় কলহ এড়ানো সম্ভব।

৩। বেডরুমের রঙ সব সময় হালকা রাখা ভালো। কারণ বাস্তু মতে প্রতিটা রঙের আলাদা আলাদা গুরুত্ব আছে। যে কোনও রঙেই সাদা রঙের পরিমান টা বেশি রেখে বেডরুম রঙ করা উচিত।       
 
৪।  আপনারা যদি ছবি নিয়ে শৌখিন হয়ে থাকেন,সেক্ষেত্রেও বেডরুমের কিছু বাস্তুরীতি রয়েছে। বেডরুমে  জন্তু-জানোয়ারের ছবি কিংবা কোনও যুদ্ধের ছবি না লাগানোই ভালো। আপনি যদি কোনও ফুলের ছবি দেওয়ালে টানান সবথেকে ভালো হয়। তবে তারও একটা দিক আছে, দক্ষিণ দিকই হল ছবি টানানোর জন্য উত্তম দিক।

৫। আপনাদের বেড রুমের বাইরে রাবার প্ল্য়ান্ট বা যেকোনও বায়ু পরিশোধক গাছ রাখুন টবে। বাস্তুমতে এতে আপনাদের ঘরের যাবতীয় নেগেটিভ শক্তি বিদায় নেবে। সম্ভব হলে বা জায়গা থাকলে বাড়ির বাইরে তুলসি গাছ স্থাপন করুন।

আশা করা যায়, বাস্তুরীতি গুলি মেনে চললে আগের থেকে আপনারা হয়তো অনেকটাই ভালো থাকবেন। আপনাদের সম্পর্ক আরও মধুর হবে।