আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতেই ঈশ্বরের জন্য আলাদা একটি স্থান থাকে। এই ঠাকুর ঘর যদি ঘরে সঠিক দিকে থাকে তবে সেখানে উপাসনা করলে মনে শান্তি এবং সংসারে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে। তাই ঘরে ঠাকুর স্থাপন করার শুভ দিকগুলি বাস্তুতে উল্লেখ রয়েছে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় পুজো করার আগে অবশ্যই ঘর পরিষ্কার করতে হবে। এই সময় ঘরে ময়লা থাকলে বাস্তু দোষ বেড়ে যায়।

বাড়ির মন্দিরটি পূর্ব, উত্তর দিক বা উত্তর-পূর্ব কোণে তৈরি করা উচিত। যদি এই দিকে কোনও মন্দির তৈরি করা সম্ভব না হয় তবে আপনি এটি পশ্চিম দিকে তৈরি করতে পারেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন দক্ষিণ দিকের মন্দির তৈরি করা আপনার এড়ানো উচিত। এই দিকটি মন্দিরের পক্ষে শুভ দিক নয়। পুজো করার সময় পশ্চিম দিকে মুখ করে পুজো করলে তা মঙ্গলজনক। এর জন্য মন্দিরের প্রবেশদ্বারটি পূর্ব দিকে হওয়া উচিত। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় মন্দিরে প্রদীপ এবং ধূপ জ্বালান।

মন্দিরের চারপাশে উন্মুক্ত রাখুন, যেখানে আপনি বসে আরাধনা বা পুজোর জোগার করতে পারবেন। পুজোর পরে মন্ত্র জপ করুন, ধ্যান করুন। এটি করলে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, পাশাপাশি মন শান্ত থাকে। মন্দিরটি যেখানে নির্মিত সেখানে পুজোর উপকরণ, ধর্মীয় বই, শুভ জিনিস রাখা উচিত। মন্দিরের নিকটবর্তী অন্যান্য গৃহস্থালীর জিনিস রাখা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন যে কোনও ভাবেই যেন বাথরুম মন্দিরগুলি কাছাকাছি না থাকে। যদি মন্দিরের চারপাশে কোনও বাথরুম থাকে তবে দরজা সর্বদা বন্ধ করা উচিত। দরজাটিতে একটি পর্দাও রাখতে পারেন।