Asianet News BanglaAsianet News Bangla

দ্রুত ঠাকুরঘর থেকে সরিয়ে ফেলুন এই পাঁচটি জিনিস, নয়তো নেমে আসতে পারে ঘোর অমঙ্গল

পূজার ঘর বা মন্দির খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়ম অনুযায়ী এতে প্রতিমা, পূজার উপকরণ বা অন্যান্য জিনিস রাখতে হবে। অবিলম্বে মন্দির বা উপাসনালয় থেকে এই ৫টি জিনিস সরিয়ে ফেলুন এবং এই ৭টি পবিত্র জিনিস রাখুন।

Immediately remove these 5 things from your Pooja ghar and keep these 7 things, you will become rich bpsb
Author
Kolkata, First Published Jun 24, 2022, 8:01 PM IST

পূজার ঘর বা মন্দির খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়ম অনুযায়ী এতে প্রতিমা, পূজার উপকরণ বা অন্যান্য জিনিস রাখতে হবে। অবিলম্বে মন্দির বা উপাসনালয় থেকে এই ৫টি জিনিস সরিয়ে ফেলুন এবং এই ৭টি পবিত্র জিনিস রাখুন।

কি কি সরিয়ে ফেলবেন

১. ভাঙা মূর্তি বা ছবি: যদি কোনও ভাঙা মূর্তি বা ছবি পূজা ঘরে রাখা থাকে, তাহলে তা সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে ফেলুন। এটা শুভ বলে মনে করা হয় না। সেই সঙ্গে একাধিক প্রতিমা রাখা চলবে না। আপনার প্রধান দেবতার একটি মূর্তিই যথেষ্ট। অনেক মূর্তি রাখলে কাজ নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া শিবলিঙ্গকে বুড়ো আঙুলের চেয়ে বড় রাখা উচিত নয়। এর ফলে ঘরে নেতিবাচক শক্তি বাস করে। পূজার ঘরে পঞ্চদেবের মূর্তি রাখা যেতে পারে। গণেশ, শিব, বিষ্ণু, দুর্গা ও সূর্য।

২. রৌদ্র রূপের ছবি: কোনও দেবতার রৌদ্র রূপের ছবি বাড়িতে বা মন্দিরে রাখা উচিত নয়। এটাকে অশুভ মনে করা হয়। যেমন, মাতা কালীর উগ্র রূপ, হনুমানজির উগ্র রূপ বা নটরাজের মূর্তি থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন। প্রত্যেকের কোমল রূপের প্রতিমা বা ছবি রাখতে পারেন।

৩. একাধিক শঙ্খ খোলস: বলা হয় একের বেশি শাঁখ রাখা উচিত নয়। অনেক বেশি শাঁখ অশুভ বলে মনে করা হয়। ভাঙা শঙ্খও যেন না থাকে। একটি সরিয়ে একটি পবিত্র নদীতে ফেলে দিন।

৪. ছেঁড়া ধর্মীয় বই: বাড়ির ঠাকুরঘরে ছেঁড়া ধর্মীয় বইও রাখা উচিত নয়।

৫. নির্মাল্য: নির্মাল্যে বাসি ফুল, মালা বা অকেজো পূজার উপকরণ আসে। এগুলিও অবিলম্বে অপসারণ করা উচিত কারণ এর ফলে ঘরে নেতিবাচক শক্তির আবাস হয়।

পূজার ঘরে রাখতে হবে ৭টি জিনিস:

১. হলুদ গাভী: হলুদ গাভীকে দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক মনে করা হয়। একটি লাল কাপড়ে প্রতিটি হলুদ গাঁদা আলাদাভাবে বেঁধে রাখুন।

২. জলের কলস: জলে ভরা একটি কলসকে দেবতাদের আসন হিসাবে বিবেচনা করা হয়। একটি ব্রোঞ্জ বা তামার কলসি জলে ভরে তাতে কিছু আমের পাতা রেখে তার মুখে একটি নারকেল রাখা হয়। একটি রোলি, একটি স্বস্তিক প্রতীক, কলাশের গলায় বাঁধা। পানের কলসে পান-সুপারিও রাখা হয়।

৩. তামার মুদ্রা: তামার সাত্ত্বিক তরঙ্গ উৎপন্ন করার ক্ষমতা অন্যান্য ধাতুর তুলনায় বেশি। কলসে তামার টাকা রাখলে তা ঘরে শান্তি ও সমৃদ্ধির দরজা খুলে দেয়। এই ব্যবস্থাগুলি দৃষ্টিতে ছোট বলে মনে হয়, কিন্তু তাদের প্রভাব অসাধারণ।

৪. চন্দন: চন্দন শান্তি এবং শীতলতার প্রতীক। একটি চন্দন কাঠি এবং সিলি পূজার স্থানে থাকা উচিত। মনের নেতিবাচক চিন্তার অবসান ঘটে চন্দনের সুগন্ধে। শালগ্রাম ও শিবলিঙ্গে চন্দন লাগানো হয়। কপালে চন্দন লাগালে মন শান্ত থাকে।

৫. অক্ষত: ধান কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা প্রাপ্ত সমৃদ্ধির প্রতীক, যাকে অক্ষত বলে। অক্ষত নিবেদনের অর্থ হল আমরা আমাদের জাঁকজমক নিজেদের জন্য নয়, মানবতার সেবায় ব্যবহার করব।

৬. গরুড় ঘণ্টা: যেসব স্থানে নিয়মিত ঘণ্টা বাজায় সেখানকার পরিবেশ বিশুদ্ধ ও বিশুদ্ধ থাকে। এতে নেতিবাচক শক্তি দূর হয়। নেতিবাচকতা দূর করে সমৃদ্ধির দরজা খুলে দেয়। বাড়ির পূজার স্থানে গরুড় ঘণ্টা রাখা হয়।

৭.. শালিগ্রাম: বিষ্ণুর এক প্রকার মূর্তি যা সাধারণত পাথরের ফলক বা বাতি ইত্যাদি আকারে থাকে এবং তার উপর চাকার চিহ্ন তৈরি করা হয়। যে শিলায় এই চিহ্ন নেই তা পূজার উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয় না। এটি অন্য সব প্রতিমাকে ছাড়িয়ে গেছে। এটি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়, তবে এটি কেবলমাত্র সেই ব্যক্তির দ্বারা বাড়িতে রাখা উচিত যিনি পবিত্রতার যত্ন নেন। আমিষ জাতীয় খাবার গ্রহণ করে না এবং যেখানে পান ও খাওয়ার অভ্যাস নেই। অন্যথায় রাখলে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios