চাণক্য একজন দুর্দান্ত পণ্ডিতের পাশাপাশি একজন যোগ্য শিক্ষকও ছিলেন। তিনি বহু শাস্ত্রে দক্ষ ছিলেন। চাণক্যের সমাজবিজ্ঞানের গভীর ধারণা থাকার চেয়ে অর্থনীতি ও কূটনীতিতে তিনি বেশি পারদর্শী ছিলেন। তাঁর শিক্ষা চাণক্য নীতিতে সজ্জিত। যে ব্যক্তি চাণক্য নীতি পড়ে ও তার শিক্ষা অনুসরণ করে, সে জীবনে সাফল্য অর্জন করে বলে মনে করা হয়।

প্রেমের প্রসঙ্গে চাণক্য বলেছেন, যে কাউকে ভালোবাসা দিয়ে নিজের করা যায়। সম্পর্কের মধ্যে যদি প্রেম না থাকে তবে সে সম্পর্কের কোনও অর্থ হয় না। চাণক্যের মতে প্রেম প্রতিটি সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেখানে প্রেম থাকবে না, সেখানে সুখ নেই। সুখ মানসিক চাপ নির্মূল করে। একাকীত্বের অনুভব মুক্ত ব্যক্তিই কেবল জীবনে সাফল্য অর্জন করে। তাই চাণক্যের এই জিনিসগুলি জীবনে পালন উচিত।

চাণক্যের মতে প্রেমের ভিত্তিতে যে সম্পর্ক তৈরি হয় তা অত্যন্ত খাঁটি। এমন পরিস্থিতিতে যখন লোভ-লালসা সম্পর্কের মধ্যে আসে, তখনই সম্পর্ক নষ্ট হয়। অতএব, যেখানে প্রেম আছে সেখানে লোভ থাকবে না। প্রেমে বিশ্বাস কখনই ভাঙা যায় না। ভালবাসার পবিত্র সম্পর্ক বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। বিশ্বাসের অভাব দেখা দিলে প্রেম অদৃশ্য হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতি কখনও সম্পর্কের মধ্যে আসা উচিত নয়। একে অপরের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস হ'ল ভালবাসার প্রথম শর্ত। বিশ্বাস আনুগত্য এবং উত্সর্গের দ্বারা জন্মগ্রহণ করে। সুতরাং, এই দুটি জিনিস কখনই সম্পর্কে কম পড়তে দেওয়া উচিত নয়।

পাশাপাশি একে অপরকে শ্রদ্ধা করুন, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই শ্রদ্ধা যখন কমতে শুরু করে তখন ভালবাসা কমতে শুরু করে। প্রতিটি সম্পর্কের মর্যাদা থাকে। চাণক্যের মতে প্রেম যত গভীর হয়, সম্পর্কের মর্যাদা কখনই অতিক্রম করা উচিত নয়। এটি সর্বদা যত্ন নেওয়া উচিত।