হিন্দুশাস্ত্রে দীপাবলির গুরুত্ব অপরিসীম। এই উৎসবে মূলত দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। পরিবারের নেতিবাচক শক্তি দূর করার পাশাপাশি দীপাবলিতে সম্পদ বা অর্থ উপার্জনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। দীপাবলি বা দিওয়ালির উৎসব মূলত পাঁচ দিনের। 

দশেরার পর থেকেই শুরু হয় দীপাবলি উৎসবের প্রস্তুতি। দীপাবলির দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ জোরদার হচ্ছে। পরিষ্কার করার সময় এমন অনেক পুরনো জিনিস পাওয়া যায়, যা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। ধর্ম এবং বাস্তুশাস্ত্রে, দীপাবলির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলা হয়েছে, এই অনুসারে, দীপাবলির পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় কিছু বিশেষ জিনিস পাওয়া অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয় এবং এটি নির্দেশ করে যে আপনি প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করবেন। দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পাবে গোটা পরিবার। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দীপাবলিতে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদের শুভ লক্ষণ

পকেটে বা পার্সে রাখা টাকা: দীপাবলি পরিষ্কারের সময় যদি পকেটে, পার্সে বা আলমারিতে টাকা পাওয়া যায়, তাহলে তা খুবই শুভ লক্ষণ। এটি আপনার মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদের লক্ষণ। এই অর্থ ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করুন, এতে আপনার ঘরে প্রচুর সমৃদ্ধি আসবে।

ময়ূর বা বাঁশি: ময়ূরের পালক এবং বাঁশি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় জিনিস। কৃষ্ণ জি ভগবান বিষ্ণুর অবতার। দীপাবলি পরিষ্কারের সময় আপনি যদি ময়ূরের পালক বা বাঁশি পান, তবে আপনার বিশ্বাস করা উচিত যে আপনি ভগবান বিষ্ণু এবং দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পেতে চলেছেন।

শঙ্খ বা গাভী: দীপাবলি পরিষ্কার করার সময় যদি শঙ্খ বা শাঁস পাওয়া যায়, তাহলে তা আপনার উপর মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদের লক্ষণ। পরিস্কারে পাওয়া এই জিনিসগুলো রাখুন টাকার জায়গায়। এটি করলে আপনার বাড়িতে প্রচুর সুখ ও সমৃদ্ধি আসবে।

চাল: দীপাবলি পরিষ্কার করার সময় যদি আপনি কোথাও ভাত দেখতে পান, যার কথা আপনার মনেও নেই, তবে তা খুবই শুভ। ধান বা অক্ষত পাওয়া জীবনে সৌভাগ্যের লক্ষণ। অক্ষত দেবী লক্ষ্মী ও শুক্রের সাথে সম্পর্কিত, অর্থাৎ পরিচ্ছন্নতায় ভাত পাওয়া জীবনে সম্পদ ও বিলাসিতা বৃদ্ধির লক্ষণ।

লাল কাপড়: মা লক্ষ্মী লাল রং খুব পছন্দ করেন। দীপাবলির পরিচ্ছন্নতায় যদি লাল রঙের কাপড় পাওয়া যায়, তাহলে সেটাকে সৌভাগ্য মনে করে ভালো করে রাখুন। এটি আপনার জীবনে শুভ দিন আসার লক্ষণ।

হিন্দুশাস্ত্রে দীপাবলির গুরুত্ব অপরিসীম। এই উৎসবে মূলত দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। পরিবারের নেতিবাচক শক্তি দূর করার পাশাপাশি দীপাবলিতে সম্পদ বা অর্থ উপার্জনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। দীপাবলি বা দিওয়ালির উৎসব মূলত পাঁচ দিনের। এই পাঁচদিন টাকার সঠিক বিনিয়োগে খুশি হন লক্ষ্মী ও যক্ষধনপতি কুবের। তাতে দেবতাদের আশির্বাদ পাওয়া যায়।