শাস্ত্রমতে প্রতিটি রুদ্রাক্ষে দেবাদিদেব মহাদেবের প্রভাব নিহিত থাকে। তবে সব রুদ্রাক্ষের মধ্যে সেই বিশেষ গুণ থাকে না তা রয়েছে বিশেষ কয়েকটি রুদ্রাক্ষেই। হিন্দুশাস্ত্র মতে রুদ্রাক্ষের অর্থ হল ভগবান শিবের তৃতীয় চোখ থেকে জন্ম নিয়েছে যে উপাদান। রুদ্রাক্ষের মধ্যে বহু প্রকার শক্তি কেন্দ্রীভুত থাকে বলে মনে করা হয়। তবে রুদ্রাক্ষ ধারণের উপকার পেতে হলে ধারণ করতে হবে খাঁটি রুদ্রাক্ষ। আসল রুদ্রাক্ষের ক্ষমতা অপরিসীম। হিমালয়ের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে যে সকল মুনি ঋষিরা ধ্যাণ করেন তারা প্রকৃতির এই অসীম রহস্যের ভাণ্ডারের সঙ্গে পরিচিত। 

আজ জেনে নেবো সাতমুখী রুদ্রাক্ষের গুণাগুণ সম্পর্কে-

এই রুদ্রাক্ষের নিয়ন্ত্রক হল শুক্র গ্রহ

শাস্ত্রমতে সাতমুখী রুদ্রাক্ষের মধ্যে মা লক্ষীর প্রভাব বর্তমান।
সমস্ত রুদ্রাক্ষের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী একটি রুদ্রাক্ষ হল এটি
সাতমুখা রুদ্রাক্ষ সাতটি সমুদ্রডকে চিহ্নিত করে
শাস্ত্রমতে এই রুদ্রাক্ষ ধারণকারী সাত সমুদ্রের মত জীবনে সন্তুষ্টি পাবে

আরও পড়ুন- চারমুখী রুদ্রাক্ষের গুনাগুন ও ধারণের ফলাফল
এই রুদ্রাক্ষ ধারণকারী ব্যক্তির আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়
এই রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে ধারণকারী জ্ঞানী, সুখী সমৃদ্ধশালী করতে সাহায্য করে
এই রুদ্রাক্ষ শনির অন্তর্দশায় বা সারেসাতি-তে দশায় ধারণ করলে অপরিসীম উপকার পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়
স্বাস্থ্য ও অর্থের সমস্যায় এই রুদ্রাক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
সাতমুখী রুদ্রাক্ষকে সপ্তর্ষী, কামদেব ও মহালক্ষীর প্রতীক বলে মনে করা হয়
এই রুদ্রাক্ষ ধারণকারী দীর্ঘায়ু লাভ করে
 যে ব্যক্তি এই সাতমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করেন তার উপর সর্বদা দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বজায় থাকে। একইসঙ্গে তার আর্থিক সমস্যাও সর্বদা দূরে থাকে।