বাস্তুশাস্ত্র মতে শ্রীযন্ত্রমকে লক্ষ্মীলাভ বা ধনলাভের প্রধান উৎস বলে মনে করা হয়। সকল যন্ত্রের শ্রেষ্ট যন্ত্র হল এই শ্রীযন্ত্রম। এর আরেক নাম যন্ত্ররাজ। তবে এই যন্ত্র যে শুধু লক্ষ্মীলাভের সহায়ক এমনটাই নয়, এই যন্ত্রের সাহায্যে বিদ্যার স্থানকে বিশেষভাবে উন্নত করবে বলে মনে করা হয়। তাই মনে করা হয় পড়ার ঘরে এই যন্ত্র রাখলে তা বিদ্যার্থীর মনসংযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 
যে মতে মহাশক্তিকে ললিতা ত্রিপুরাসুন্দরী, ভুবনেশ্বরী ইত্যাদি রূপে পূজা করা হয়। এই রূপটির এক হাজার নাম পাওয়া যায় ললিতা সহস্রনাম স্তোত্রে। এই স্তোত্রটি শ্রীবিদ্যা ধারণার অন্তর্গত। এই সম্প্রদায় জাগতিক সমৃদ্ধি ও আত্ম-অনুসন্ধান উভয়ের উপরই জোর দিয়ে থাকে। শ্রীবিদ্যা সম্প্রদায়ের সাহিত্য বেশ সমৃদ্ধ। আর এই যন্ত্রের আরও নানান নাম রয়েছে, রাজরাজেশ্বরী, মহাত্রিপুরসুন্দরী, বালা, পঞ্চমদশীয়, যোড়শী ইত্যাদি। জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, বিদ্যার ক্ষেত্রের অধিপতি হলেন ত্রিপুরসুন্দরী। এই কারনেই এই মনে করা হয় শিক্ষার ক্ষেত্রে এই যন্ত্রমের ব্যবহার অভাবনীয় ফল দেয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ত্রিপুরসুন্দরীর অবস্থান এই যন্ত্রেই। 

আরও পড়ুন- জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, শরীরের কোন অংশ কাঁপলে কী হয় জেনে নিন
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যন্ত্রম যেমন সংসারে লক্ষ্মীশ্রী বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে এই মহত্ত্বপূর্ণ যন্ত্রম পড়ার ঘরে রাখলে শিক্ষার্থীদের জ্ঞাণ, মানসিক শক্তি বৃদ্ধি, একাগ্রতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে থাকে। মনে করা হয় যে সকল বিদ্যর্থী পড়াশুনোর অমনযোগী অথবা চঞ্চল স্বভাবের হয়, তাঁদের ঘরে এই যন্ত্রম রাখলে তাতে সুনিশ্চিত লাভ পাওয়া যায়। শুধু এই নয়, এই যন্ত্রম পর্যায়ক্রমে বিদ্যার্থীদের জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হতেও সহায়তা করে থাকে।