জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, জন্মের সময় পৃথিবী যে রাশিকে অতিক্রম করে সেই রাশিকে জন্ম-লগ্ন বলে। এখন দেখে নেওয়া যাক মিথুন লগ্নের জাতক- জাতিকার ব্যক্তিত্ব কেমন হয়। মিথুনলগ্ন হল দ্বি-স্বভাবাত্মক লগ্ন। মিথুনের অধিপতি বুধ হওয়ার জন্য মিথুনলগ্ন জাতকের মধ্যে বুধের প্রভাব বেশি মাত্রায় থাকে। এই লগ্নের ব্যক্তিরা খুব সহজেই যে কোনও বিষয়ে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সেই সঙ্গে এদের উপস্থিত বুদ্ধি ও সহ্য ক্ষমতা অসীম হওয়ায়, জীবনে কোনও সমস্যাকেই এরা কষ্ট বলে মনে করেন না। 
এরা সব সময় আপনজনদের প্রতি খুব যত্নবান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এদের বিদেশ যাত্রার যোগ থাকে।
মিথুনলগ্নের জাতক জাতিকারা উপর বুধের কার্যকারিতা প্রচণ্ড তীব্র। তাই এই লগ্নাধিপতি বিরূপ হলে এই লগ্নের জাতক জাতিকার মানসিক রোগ, হৃদরোগ, শারীরিক দুর্বলতা, বধিরতা, মাথা ব্যাথা ও সম্পর্কে অশান্তি দেখা যায়। 
এই লগ্নের ব্যক্তিরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভাবুক। এটাই এদের প্রধাণ বৈশিষ্ট্য। এরা বেশিরভাগ সময় কাজ নিয়ে থাকতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু কোন কাজ করবে বা কোন কাজ করবে না তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঠিক করে উঠতে পারে না। আইনি, চিকিৎসা, হিসাব, শিল্পসাহিত্য ইত্যাদিতে তীব্র ঝোঁক থাকে।
এরা খুবই উদার চিত্তের এবং পরপোকারী। একই সঙ্গে অন্যায় কাজ বা কুটিলতা মোটেই পছন্দ করে না। কারও উপর রেগে গেলেও তা সাময়িক। 
এই লগ্নের জাতক জাতিকার চেহারা, নয়নের দৃষ্টি, মুখমণ্ডল ও হাঁটা-চলার মধ্যে থাকে নিজস্ব সত্ত্বা। যা সহজেই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।