চাণক্য-কে ভারতের সেরা পণ্ডিতদের মধ্যে গণ্য হয়। আচার্য চাণক্যের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান ছিল। চাণক্যের দর্শন এবং চাণক্যের শিক্ষা আমাদের জীবনে সফল হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়। চাণক্য বিশ্বখ্যাত তক্ষশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সামরিক বিজ্ঞান এবং কূটনীতি ছাড়াও সমাজ বিজ্ঞানের বিষয়ে গভীর ধারণা ছিল তাঁর। চাণক্য তাঁর পড়াশুনা এবং জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে যা কিছু জ্ঞান অর্জন করেছিলেন তা তাঁর চাণক্য নীতিতে লিপিবদ্ধ করেছেন। চাণক্য নীতি শত শত বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আজও প্রাসঙ্গিক। এই কারণেই আজও প্রচুর সংখ্যক মানুষ চাণক্য নীতিতে লেখা জিনিস দিয়ে তাদের দিন শুরু করেন, আসুন আমাদের চাণক্য নীতি-

আরও পড়ুন- কোন রাশির জীবনে আসতে চলেছে নতুন প্রেম, জেনে নিন আপনার ২০২১ সালের Love Life

১) আলস্য ত্যাগ করুন- চাণক্যের মতে, আলস্য হল সাফল্যের সবচেয়ে বড় বাধা। যারা অলসতা ছেড়ে দিতে সক্ষম হযন না, তারা সাফল্য থেকে দূরে থাকেন। জীবনে সফল হতে গেলে আলস্য ত্যাগ করতে হবে।

২) আজকের কাজ আজই করুন-  আজকের কাজ আগামীকাল নয়, আজকেই করুন। চাণক্য তাঁর নীতিতে বলেছেন যে, আজকের কাজটি আগামীকাল কখনও ঠেলে দেওয়া উচিত নয়, যারা এটি করেন তারা দেরিতে সাফল্য পান। একই দিনে কাজ শেষ করা উচিত।

আরও পড়ুন- বছরের শেষ মাসে কতটা উন্নতি হবে মকর রাশির, দেখে নিন

৩) লোভ ত্যাগ করুন- চাণক্যের নীতি অনুসারে লোভই সমস্ত দুর্ভোগের প্রধাণ কারণ। লোভ থেকে মুক্ত হয়ে যাঁদের দিন শুরু হয় তাঁরা জীবনে কখনও হতাশ হন না।

৪) রাগ এড়িয়ে চলুন- চাণক্যের মতে কোনও ব্যক্তির সবচেয়ে বড় শত্রু হল তার রাগ। এই রাগ সাফল্যের থেকে বহুগুণ পিছনে ঠেলে দেয়। অতএব রাগ সব সময় এড়ানো উচিত। কারণ রাগের মধ্যে একজন ব্যক্তি ভাল-মন্দকে আলাদা করতে সক্ষম হয় না।

৫) মিথ্যা বলবেন না- চাণক্যের মতে, মিথ্যা বলার অভ্যাস একজন ব্যক্তিকে দুর্বল করে দেয়। যারা মিথ্যা বলে তাদের সত্যি কথাও পরবর্তীতে কেউ বিশ্বাস করে না। ফলে ভবিষ্যতে তাঁকে বহু সমস্যার সম্মুখীণ হতে হয়।

৬) সময়ের সম্মান করা-  চাণক্যের নীতি অনুসারে, যারা সময়ের মূল্য জানেন তারা সময়ের গুরুত্ব জানেন। তবে যারা সময়ের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দেয় না তারা সর্বদা সমস্যায় পড়ে।

৭) অর্থ সাশ্রয় করুন-  চাণক্য নীতি অনুযায়ী অর্থ খুব সাবধানতার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত। অর্থহীন কাজে ব্যয় কখনোই করা উচিত নয়। এতে মহালক্ষ্মী রেগে যায়।