প্রতি মাসে দুটি একাদশী পড়ে। এবং এই দিনটি ভগবান নারায়নের পুজো করা হয়। মনে করা হয় এই দিনে তাঁর বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ তিথি। হিন্দু ধর্মে একাদশী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, পুরাণ, ধর্মগ্রন্থে সর্বত্র এর পাওয়া যায়। কথিত আছে অগ্রহায়ণ মাসে যে একাদশী এই মাসে আসে,এই তিথি সমস্ত পাপ পরিত্রাণের সুযোগ দেয়। এজন্য এটিকে মোক্ষদা একাদশী বলা হয়, যা এই বার ২৫ ডিসেম্বর পালিত হবে। জেনে নিন এই বিশেষ তিথির গুরুত্ব।

আরও পড়ুন- অল্প বয়সেই এই ৫ রাশির হয় আর্থিক উন্নতি, দেখে নিন আপনি এই তালিকায় আছেন কি না

কথিত আছে যে মোক্ষদা একাদশী মানুষকে পাপের শেকল থেকে মুক্ত করে মুক্তির দিকে নিয়ে যায়। তাই একে মোক্ষদা একাদশী বলা হয়। এই দিনে উপবাসকারী ব্যক্তি ভগবান নারায়নর বিশেষ আশীর্বাদ পান। খুব সাধারণ উপায়ে, এই দিনটিতে হরির উপাসনা করুন, সারা দিন ব্রত রাখুন এবং তারপরে পরবর্তী বিধি দিয়ে পুজো সারুন। তখন ভগবান নারায়ন সন্তুষ্ট হন, এবং এই ব্রত সম্পূর্ণ রূপে বিবেচনা করা হয়। 

আরও পড়ুন- বছরের শেষ মাসে কতটা উন্নতি হবে কর্কট রাশির, দেখে নিন

কথিত আছে যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজেই একবার যুধিষ্ঠিরকে এই একাদশীর গুরুত্ব বলেছিলেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে এই একাদশী কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্রত কেবল পাপ ও কর্মের বন্ধন থেকে মুক্তি দেয়। এবং মোক্ষ বা ঈশ্বরে প্রাপ্ত করার একমাত্র মাধ্যম হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ মোক্ষদা একাদশীর উপবাসের চেয়ে উত্তম আর কোন উপায় নেই। এই বছর এই বিশেষ দিনে গীতা জয়ন্তীও। অর্থাৎ দ্বাপর যুগে কৌরব এবং পাণ্ডবদের মধ্যে যুদ্ধের সময় শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে ব্যাখ্যা করার জন্য গীতার জ্ঞান দিয়েছিলেন। এবং ধর্ম রক্ষায় তাদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন। যখন অর্জুন তাঁর ধর্ম রক্ষার জন্য কর্তব্য থেকে বিচলন শুরু করেছিলেন, কৃষ্ণ তাকে গীতা বলেছিলেন এবং এভাবেই ধর্মের বিজয় ও প্রতিষ্ঠা ঘটেছিল।