আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কিছু না কিছু সমস্যা রয়েছে। জীবনের এই সমস্যাগুলোকে সহজেই কাটিয়ে ওঠার জন্য জ্যোতিষীরা নানান রত্ন ধারণের পরামর্শ দেন। তবে রত্ন ধারণে সমস্যা কাটিয়ে ওঠা গেলেও অনেকের পক্ষেই সব সময় রত্ন ধারণ সম্ভব হয় না। একই সঙ্গে গ্রহ প্রতিকারের জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমান অর্থের, যা সকলের পক্ষে ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এই সমস্ত কিছু ছাড়া এমন কিছু নিয়ম আছে যাতে সহজেই আপনি সমস্ত বাধা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

আরও পড়ুন- সংসারে শান্তি ফিরতে পারে মাঘ মাসে, রাশি অনুযায়ী জেনে নিন প্রতিকার

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, প্রতিটি দিনের রয়েছে ভিন্ন তাৎপর্য। একই সঙ্গে প্রতিটি বস্তুর মধ্যে রয়েছে অন্তর্নিহিত শক্তি। এই শক্তি ইতিবাচক বা নেতিবাচক দুই ধরনেরই হতে পারে। মাঘ বাংলা সনের দশম মাস এবং ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শকাব্দের একাদশ মাস। বাংলা মাঘ এবং শকাব্দের "মাঘা" নামটি এসেছে মঘা নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থান থেকে। খনার বচনে রয়েছে, "যদি বর্ষে মাঘের শেষ, ধন্যি রাজার পূণ্যি দেশ"। মাঘ মাসের পূর্ণিমাকে বলা হয় মাঘী পূর্ণিমা ‌‌। তাই জ্যোতিষীদের মতে, মাঘ মাসে কখনই অপরের কোনও জিনিস ব্যবহার করবেন না, তাতে হতে পারে মহা বিপদ। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই জিনিসগুলি কী কী-

আরও পড়ুন- বৃষ রাশির কতটা উন্নতি হবে মাঘ মাসে, দেখে নিন

মাঘ মাসে কখনোই অপরের ঘড়ি পছন্দ হলেও ব্যবহার করবেন না। ব্যবহার করুন নিজের ঘড়িটাই। এই দিনে অন্যের ঘড়ি ব্যাবহার করা মানে খারাপ সময়কে আহ্বান জানানো। মাঘ মাসে কখনওই অন্যের থেকে টাকা ধার নেবেন না। এই দিনে টাকা ধার নেওয়া মানে নিজের দুর্ভাগ্যকে ডেকে নেওয়া। এতে আর্থিক উন্নতির যোগ ব্যপকভাবে বাধা প্রাপ্ত হয়। এই মাসে অন্যের জামা-কাপড়ও ব্যবহার করতে নেই, নিজের যা আছে তাই পড়ুন। এই দিনে অপরের জামা পড়লে আপনার মধ্যে নেতিবাচক শক্তি সঞ্চারিত হবে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে আপনার জীবনে। মাঘ মাসে কখনই কারও থেকে কলম বা পেন ধার নেবেন না, যদিও বা প্রয়োজন হয় তা তৎক্ষনাত ফিরিয়ে দিন। অপরের ব্যবহৃত কোনও ব্যাগ ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে সেই ব্যগ যদি একেবারে নতুন হয়ে থাকে তবে সে ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা নেই। এই সময়ে অপরের ব্যবহৃত ব্যাগ নেওয়া মানে নিজের দুর্ভাগ্যকে ডেকে নেওয়া। এতে আর্থিক উন্নতির যোগ ব্যপকভাবে বাধা প্রাপ্ত হয়।