৭ মে বৃহস্পতিবার বৈশাখ মাসের শেষ পূর্ণিমা। এর পরে, ৮ মে থেকে শুরু হবে জৈষ্ঠ মাস। ভগবান বুদ্ধের জন্মবার্ষিকী পালিত হবে ওই দিন। জ্যোতিশশাস্ত্র মতে, পূর্ণিমা দিবসে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার রীতি রয়েছে  বৈশাখী পূর্ণিমায়। কী কী শুভ কাজ করা যায় তা এখানে জেনে নিন…

আরও পড়ুন- শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথি, পুরাণ অনুযায়ী বিশেষ এই দিনে ঘটেছিল এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা

বৃহস্পতিবার ও পূর্ণিমার যোগে ভগবান সত্যনারায়ণের আরাধণা ও পুজো করুন। পূর্ণিমাতে সত্যনারায়ণ ব্রত পালন করলে সংসারের সার্বিক উন্নতি ফিরে আসে।  বৃহস্পতিবার পূর্ণিমার যোগ অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এই তিথিতে ভগবান বিষ্ণু ও লক্ষীর পুজো করা হয় এবং উপবাস করা হয়।

আরও পড়ুন- মে মাস কেমন প্রভাব ফেলবে সিংহ রাশির উপর, দেখে নিন

এই পূর্ণিমা তিথিতে হনুমানজির সামনে একটি প্রদীপ জ্বালান এবং হনুমান চালিশা পাঠ করুন। ওম রামদূতায় নমঃ ১০৮ বার এই মন্ত্র জপ করুন। যদি সম্ভব হয় তবে আপনি এই দিনে হনুমান চল্লিশাও পাঠ করতে পারেন। হনুমানকে সিঁদুর এবং তেল অর্পণ করুন। কোনও মন্দিরে ছোলা দেওয়ার জন্য অর্থও দান করতে পারেন।

পূর্ণিমা তিথিতে একটি পবিত্র নদীতে স্নান করুন এবং স্নানের পরে দরিদ্রদের অর্থ দান করা উচিত। তবে এখন লকডাউনের কারণে নদীতে স্নান এড়িয়ে চলুন। বাড়িতে নদীর নাম জপ করে স্নান করুন। স্নানের পরে দুঃস্থ মানুষকে অর্থ ও খাদ্যশস্য দান করুন। এখনই গ্রীষ্মের সময় চলছে, এই দিনগুলিতে ছাতা দান করা বা জল দান করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। আপনি কোনও দরিদ্র ব্যক্তিকে বস্ত্রও দান করতে পারেন।

পূর্ণিমার দিন বাড়িতে ঝামেলা অশান্তি করবেন না, তা এড়িয়ে চলুন। যে সব বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিতর্ক হয়, সেখানে নেতিবাচকতার আবাস থাকে। পূর্ণিমায় বাবা-মা বা অন্য কোনও বয়স্ক ব্যক্তিকে অপমান করবেন না। ঘরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখুন তাতে সংসারের সার্বিক উন্নতি হবে।