দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে আমাদের প্রত্যেকেই কিছু না কিছু সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। প্রত্যেকটি মানুষের জীবনেই রয়েছে নানান সমস্যা। যার সঙ্গে প্রতিনিয়ত আমাদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, গ্রহ নক্ষত্রের শুভ-অশুভ প্রভাবের ফলে আমাদের জীবনে এই সমস্ত সমস্যা দেখা দেয়। সেই রকমই একইভাবে গ্রহ-নক্ষত্রের পাশাপাশি বাস্তুর প্রভাবেও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নানান জটিল সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। যা জীবনে চলার পথে প্রতিনিয়ত বাধার সৃষ্টি করে। সাফ্যলের পথে বাধার সৃষ্টি করে জীবন দুর্বিসহ করে তোলে। তাই জীবনের এই সমস্ত জটিল সমস্যা বা বাধা কাটিয়ে ওঠার জন্য সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির উদয় ঘটানো প্রয়োজন। যা আমাদের জীবনের খারাপ পরিস্থিতি থেকে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে জীবনে এই খারাপ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন সহজেই।
বাস্তুশাস্ত্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আমাদের ব্যবহারের এমন একটি বস্তু আছে, যা দিয়ে আমরা সহজেই অশুভ শক্তির বিনাশ করে জীবনে খারাপ পরিস্থিতি কাটিয়ে ফিরিয়ে আনতে পারি সৌভাগ্য। আর সেই সহজলভ্য বস্তুটি হল ফিটকিরি। শুনতে অবাক মনে হলেও এটি বাস্তুশাস্ত্রের মতে অনন্ত এক সত্য। আমাদের বাস্তুতে যদি কোনও নেগেটিভ শক্তি বা সমস্যা থেকে থাকে তবে তা এই ফিটকিরি দিয়ে সহজেই দূর করা সম্ভব। তবে চলুন জীবনে উন্নতির ক্ষেত্রে ফটকিরির ব্যবহার সম্পর্কে বাস্তুশাস্ত্রের ব্যাখ্যাগুলি জেনে নেওয়া যাক

ঘুমের মধ্যে যদি প্রায়ই খারাপ স্বপ্ন দেখে থাকেন তবে শোয়ার সময় একটি ফিটকিরির টুকরো রেখে দিন। এতে নেগেটিভ শক্তি দূর হয় আর খারাপ স্বপ্নের কোনও প্রভাবও আপনার উপর পড়বে না।

ঠাকুমা-দিদিমা-এরা হামেসাই বলে থাকেন কারোর নজর লাগা ভালো নয়। তাই এমন কোনও ঘটনা ঘটে থাকলে পা থেকে মাথা অবধি ফিটকিরি ঘষে নিন। এরপর ফিটকিরির টুকরোটি আগুনে পুরিয়ে দিন।

বাড়ির থেকে নেগেটিভ শক্তি দূর করতে বাথরুমে একটি ছোট পাত্রে এক টুকরো ফিটকিরি রেখে দিন। প্রতিমাসে সেই টুকরো বদলে ফেলুন, এর ফলে বাস্তুর সমস্ত নেগেটিভ শক্তি দূরীভুত হয়।

এছাড়া ফিটকিরি গুঁড়ো করে নিয়ে ঘরের কোনায় কোনায় ছোট পাত্রে রেখে দিন অথবা ছড়িয়ে দিন, এর ফলে খারাপ বা নেগেটিভ শক্তি মুক্ত থাকবে আপনার ঘর-বাড়ি।

বহু পরিশ্রম করেও যদি সৌভাগ্য ফিরে না পান তবে একটি কালো কাপড়ের মধ্যে এক টুকরো ফিটকিরি নিয়ে তা দরজায় বেঁধে ঝুলিয়ে রেখে দিন। কয়েকদিনের মধ্যেই তফাৎটা নিজেই বুঝতে পারবেন।