মানুষের নামের মধ্যেই তার চরিত্র লুকিয়ে থাকে। আর চরিত্র মানুষের এক অমূল্য সম্পদ। যিনি চরিত্রবান তিনি সমাজে যে কোনও বিরাট সম্পদশালীর চেয়ে বেশি সম্মান পেয়ে থাকেন। চরিত্র মানুষকে দান করে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। তবে জানেন কী, জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, নামের প্রথম অক্ষর দিয়েই সেই ব্যক্তি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন অপনি। নামের প্রথম অক্ষর  কিছু না কিছু অর্থ বহন করে। এই একটা অক্ষর দেখে যে কোনও মানুষের সম্পর্কেই অনেক আজানা কথা বুঝে যাওয়া সম্ভব। 
ইংরাজি বর্ণমালার ১৯ তম বর্ণ হল এস। সাধারণত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির বাসিন্দাদের মধ্যে এস দিনে সন্তানের নাম রাখার প্রবণতা যথেষ্ট বেশি থাকে।
যেসব জাতক জাতিকার নামের আদ্যক্ষর ‘S’ তাদের জীবনে হালকা নীল বেগুনি রং শুভ প্রভাব ফেলে।
এই ব্যক্তিরা সবার নজরে থাকতে খুব পছন্দ করেন।
তবে কর্মঠ হওয়ার কারণে কর্মজীবনে এরা খুব সফল হন। অর্থনৈতিক অবস্থাও এদের মন্দ হয় না।
এরা স্বপ্ন দেখতে এরা খুব পছন্দ করেন। আর সেই মত জীবন চালানোর চেষ্টাও করে থাকেন।
এরা নিজেদের মনের মত তাদের কাছের মানুষদের চলতে শেখায়।
ব্যবসা,কাজ বা বিয়ে, এই ধরণের মানুষরা সঙ্গী হিসেবে খুবই ভালো ও নির্ভরযোগ্য। 
এরা খুবই বিশ্বস্ত হন, পেশার দিক থেকেও এরা সহজেই মানুষের মন জয় করে নেন। 
নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রেও এরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। 
এরা খুব বুদ্ধিদীপ্ত মানুষ হওয়ায় এঁদের কূটনীতিবোধও চরম। রাজনীতিতেও এরা বেশ দক্ষ হন। 
তবে অতিরিক্ত রাগের কারণে অনেক সময় বিপদের সম্মুখীন হন।