প্রশ্নকর্তার জন্মসময়, তারিখ এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে, জন্মকালে মহাকাশে গ্রহের অবস্থান নিরুপণ করে অথবা প্রশ্নের সময় গ্রহাদির অবস্থান নির্ণয় করে, অথবা হস্তরেখাবিচার, শরীরের চিহ্নবিচার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশ্নকর্তার ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করার জ্ঞান ও পদ্ধতিকে জ্যোতিষশাস্ত্র বলা হয়। জ্যোতিষীগণ মনে করেন মানুষ সচেতন কর্মের সাহায্যে অথবা ঈশ্বরের আশীর্বাদে অথবা এই দুইয়ের মিশ্রিতফলে ভাগ্য অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবর্তন করতে পারে।

আরও পড়ুন- ব্যবসার মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠুন, জ্যোতিষ মতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

বৈদিক জ্যোতিষের যে পরিবর্ধন, প্রসারণ ও সংযোজন ভারতীয় উপমহাদেশে ঘটেছে মুলতঃ তাই হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র হিসাবে পরিচিত হয়। এই শাস্ত্র মতে, মেয়েদের পায়ের আঙ্গুলের আংটি যা সাধারণ অর্থে চুটকি বলেই পরিচিত এই বস্তুটির জন্য অনেক ক্ষেত্রেই সংসারে আর্থিক ক্ষয়-ক্ষতি বা ধার-দেনায় ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভারতীয় মহিলাদের অনেকেই পায়ের আঙুলে এই পরেন। তবে এই আংটির ফলেই সংসার ধারে-দেনায় ডুবে যেতে পারে বলে মনে করা হয়।

আরও পড়ুন- মহাপাপ এড়াতে শবযাত্রা দর্শণ করলেই, পালন করুন এই নিয়ম

পায়ের আঙ্গুলের এই আংটি কখনোই সোনার হওয়া উচিৎ নয়। পায়ের মধ্যমায় এই আংটি পরার চল রয়েছে। পায়ে এই আংটি পরতেই হলে তা অবশ্যই রুপোর হওয়া উচিত। আর পায়ে এই আংটি ধারণ করলে পা সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। পায়ে নোংরা অবস্থায় ওই আংটি থাকা মানেই আর্থিক অনটনের যোগ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন অভ্যাস থাকার ফলে আর্থিক সর্বনাশ নিশ্চিত। এমনকী জরুরি পরিস্থিতিতে টাকা ধারও করার মত পরিস্থিতি থাকে না। তাই পায়ে এই আংটি ধারনের আগে অবশ্যই মনে রাখুন এই বিষয়টি, তবে ধারণ করুন।