চাণক্য নীতিতে বলা হয়েছে, যে প্রত্যেক ব্যক্তিরই জীবনে সফল হওয়া ও উন্নতি করার ইচ্ছা রয়েছে। এই জন্য, প্রত্যেকেই জীবনে এই চেষ্টা করে যায়। কেউ কেউ নিরলস পরিশ্রমও করেন আবার কেউ কেউ কিছু কৌশল খাটিয়ে সাফল্য অর্জণের চেষ্টা করে। তবে সবাই সাফল্য অর্জন করে না। সফল হওয়া এবং উন্নতি করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সফল হওয়ার জন্য জীবনে কোনও কৌশল খাটে না একমাত্র নিরলস পরিশ্রম এর মূল চাবিকাঠি। মহৎ মানুষ সমাজকে দিক নির্দেশনা করেন। জীবনে সফল হতে গেলে এই ৫ স্বভাব থাকলে তা বাধার সৃষ্টি করবে। তাই সাফল্য লাভের ইচ্ছা থাকলে এই ৫ স্বভাব মন থেকে দূরে সরান।

সব ধরণের মন্দকে এড়িয়ে চলুন- যদি আপনি জীবনে সফল হতে চান, তবে আপনার উচিত সমস্ত প্রকারের মন্দকে এড়ানো। দুষ্টতা একজন ব্যক্তির মহত্বের সবচেয়ে বড় বাধা। সফল হওয়া সহজ নয় কারণ এর জন্য প্রচুর ত্যাগ করতে হবে। যে কোনও ধরণের মন্দতা ব্যক্তির সক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

লোভ ত্যাগ করুন- লোভকে ত্যাগ করুন চাণক্য অনুসারে লোভ একটি রোগের মতো। যে ব্যক্তি লোভের রোগে ভুগছেন তিনি এই রোগটিকে শেষ করার পরেই বিবেচনা করেন। অতএব, লোভ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ত্যাগ করা উচিত বা এর থেকে দূরত্ব তৈরি করা উচিত। লোভী ব্যক্তি কখনোই নিজের জীবনে শান্তি পান না।

খারাপ সংস্থা এড়িয়ে চলুন-  একজন ব্যক্তির সাফল্যে পথে সবচেয়ে বড় বাধা খারাপ সঙ্গ। খারাপ সঙ্গের বসে ব্যক্তির বুদ্ধি নষ্ট হয়ে যায়। জ্ঞাত ব্যক্তিদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ বিকাশ হয়, একজন ব্যক্তি প্রতিবিম্বিত হয়। একই সঙ্গে খারাপ লোকের সঙ্গে খারাপ অভ্যাসগুলি শেখেন ফলে সাফল্যের পথ তো দূর নিজের স্বাভাবিক জীবন ধারণও পথেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

ক্রোধ সম্বরণ করুন- রাগ করবেন না । একজন ব্যক্তি যিনি নিজের ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, তার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি সফল হতে পারেন না। ক্ষোভের কারণে একজন ব্যক্তি এক মুহূর্তে সব কিছু হারিয়ে ফেলেন। অতএব, রাগ করবেন না। মনকে শান্ত রাখুন, রাগ থেকে দূরে থাকুন।

বৈষম্য করবেন না- চাণক্যের নীতি অনুসারে ব্যক্তিকে বৈষম্যহীন হতে হবে। বৈষম্যমূলক ব্যক্তি কখনও সন্তুষ্ট হয় না। যে ব্যক্তি বৈষম্য করে তার আত্মবিশ্বাসও স্তম্ভিত হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে তিনি উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।