জ্যোতিষশাস্ত্র প্রায়ই একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ব্যাখ্যা করার জন্য এবং তার জন্মের সময় সূর্য, চন্দ্র, এবং অন্যান্য জ্যোতিষ্কগুলির অবস্থানের উপর ভিত্তি করে তার জীবনের ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য ব্যবহৃত হত। দৈনন্দিন জীবনে অনেক সময় সম্পর্কে সমস্যা দেখা দিতে পারে কিন্তু তাই বলে সামান্য় তর্ক বা ঝগড়া একটা সম্পর্কের ভাঙনের কারণ হতে পারে ৷ তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে এমন কিছু রাশি আছে যাদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক তৈরি হলে, আপনাকে প্রতি মুহূর্তে থাকতে হবে সতর্ক। কারণ এমন কয়েকটি রাশি আছে যাদের কথায় কথায় মেজাজ বদলে যায়। ফলে এদের বুঝে ওঠা খুব দুষ্কর হয়ে ওঠে। জেনে নিন সেই রাশিগুলি সম্পর্কে। 

মেষ- এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ মঙ্গল। এই রাশির ব্যক্তি ছোটবেলা থেকেই তেজস্বী, স্পষ্টবক্তা ও নির্ভীক প্রকৃতির। এরা খুব তোষামোদ প্রিয় ও বন্ধুবৎসল। তবে সকলের সঙ্গে সমান ভাবে মিশতে পারে না। নিজের ক্ষতি করেও কথা রাখতে চেষ্টা করে। তবে এঁদের মন চঞ্চল ও মাঝে মাঝে উগ্র প্রকৃতির হয়ে ওঠে। তাই এই রাশির সঙ্গী থাকলে আপনাকে সাবধানেই থাকতে হবে। 

বৃশ্চিক- এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ মঙ্গল। এই রাশির ব্যক্তি প্রায়ই তেজী, নির্ভীক এবং একগুঁয়ে প্রকৃতির হয়। মঙ্গল অশুভ হলে অহংকারী, দাঙ্গাবাজ ও গুন্ডা প্রকৃতির হয়ে থাকে। নিজের মতে চলতে ভালবাসে। তবে মতের অমিল হলেই আর রক্ষে নেই। তাই এই রাশির সঙ্গী থাকলেই আপনাকে থাকতে হবে সাবধানী।

মিথুন- এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ বুধ। এরা কাজ পাগল। কিন্তু কোন কাজ করবে বা কোন কাজ করবে না তা সব সময় ঠিক করতে পারে না। একই সঙ্গে কাউকে ভালবাসে, আবার ঘৃণাও করে। এরা কখনও কুটিল, কখনও সরল। আসল কথায় এরা নিজেদের মর্জির মালিক। নিজের খেয়াল খুশিতে চলেন, তাই এদের সঙ্গে তাল তাল না মিলিয়ে চলতে পারলেই পড়তে হবে সমস্যায়।

আরও পড়ুন- এই মানুষগুলি পাপের ঘোরে নিমগ্ন থাকে এদের থেকে দূরে থাকুন, চাণক্য নীতি

তুলা- এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ শুক্র। ভীরের চেয়ে একাকী থাকতে বেশি পছন্দ করে। বিচার বিশ্লেষণ শক্তি এদের প্রবল। এরা খুব ভোগবিলাস প্রিয়, ভাবপ্রবণ, বিজ্ঞ, ও প্রেমিক। এরা অত্যন্ত শান্ত, তবে রেগে গেলে আর রক্ষা নেই। তাই এদের চট করে রাগানো উচিত নয়।

কর্কট- এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ চন্দ্র। এরা সব সময় ছিমছাম ও বেহিসেবি প্রকৃতির। এরা ভাবপ্রবণ ও রোম্যান্টিক ধরনের হয়ে থাকে। এরা খুঁতখুঁতে চঞ্চল ও ভীতু প্রকৃতির। দেখতে শান্ত হলেও রাগ প্রকাশ করে না। তবে যখন তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে হয়ে যায়, বা নিজেদের দোষ প্রকাশ্যে চলে আসে তখন প্রায় উন্মাদের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এদের সামলানো খুব মুশকিল।