জ্যোতিষশাস্ত্র একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ব্যাখ্যা করার জন্য এবং তার জন্মের সময় সূর্য, চন্দ্র, এবং অন্যান্য জ্যোতিষ্কগুলির অবস্থানের উপর ভিত্তি করে তার জীবনের ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য ব্যবহৃত হত। অনেক সংস্কৃতির মধ্যেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতীয়, চীনা ও মায়া সভ্যতার অধিবাসীগণ মহাকাশ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পার্থিব ঘটনাগুলির ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য এই বিষয়ের চর্চা এবং উন্নয়ন সাধন করেছিলেন। এই জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, মাত্র এই একটি ফুলের কার্যকরী ব্যবহারে মিলবে অর্থোপার্জনের ব্যবস্থা। 

আর্থিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই জেনে নিন, কীভাবে এই ফুলটি ব্যবহার করবেন আর্থিক সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য। এই বিষয়ে কী উপায় জানাচ্ছে জ্যোতিষ, জেনে নেওয়া যাক। এই পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে নাগকেশর ফুল। এই একটি ফুল দিয়েই আপনি ফিরিয়ে আনতে পারবেন আপনার অর্থভাগ্য। প্রতিদিন ঠাকুর পুজো দেওয়ার সময় একটি নাগকেশর ফুল নিয়ে তারও পুজো করুন। এরপর একটি পরিষ্কার সাদা কাপড়ে জড়িয়ে দোকানের ক্যাসবাক্সে বা অফিসের ডেস্কে রেখে দিন, আয় বৃদ্ধি পাবে।

যদি বাড়িতে বা ব্যবসার স্থানে লক্ষীমূর্তি থেকে থাকে তবে তার সামনে একটি এই নাগকেশর ফুল, একটি কাঁচি হলুদ, একটি গোটা সুপুরি, একটি তামার মুদ্রা এবং সামান্য কিছু চাল একসঙ্গে একটি কাপড়ে বেঁধে রেখে দিন। প্রতিদিন পুজো দেওয়ার সময় কাপড়ের বেঁধে রাখা দ্রব্যগুলিরও পুজো দিন, দ্রুত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। এর জন্য রূপোর একটি ছোট্ট তাবিজে এই নাগকেশর ফুল ও মধু একসঙ্গে নিয়ে, শুক্ল পক্ষের শুক্রবার, বা অন্য কোনও শুভ সময়ে গলায় বা যেই স্থানে টাকা রাখেন, সেখানে রেখে দিন। আপনার আর্থিক সঞ্চয় বৃদ্ধি পাবে। একটি পূর্ণিমা থেকে শুরু করে পরবর্তী পূর্ণিমা অবধি অর্থাৎ একমাস টানা শিবলিঙ্গে  এই ফুল অর্পণ করুন। এরপর শিবপুজো শেষ হলে ফুলটি যেখানে টাকা রাখেন সেই স্থানে রেখে দিন। অর্থ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যা কেটে যাবে।