প্রতিটি মানুষের চাহিদা যেন তার সংসার ভরা থাকে সুখ ও সমৃদ্ধিতে। শাস্ত্র মতে, মানব জীবনে কর্মফল অনুযায়ী ব্যক্তি তাঁর জীবন ভোগ করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় আর্থিক কোনও সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও অনেকেই অযাচিত কিছু সমস্যায় বার বার জড়িয়ে পরেন। যার ফলে দুর্বিসহ হয়ে ওঠে জীবন যাপন। তাই সেই সকল ছোটখাটো সমস্যা কাটিয়ে সংসার সুখ ও সমৃদ্ধিতে ভরে তুলতে মেনে চলা উচিত ঠাকুর ঘরের কিছু নিয়ম। প্রতিদিন অজানা কিছু ভুল কাজের ফলে আমাদের জীবনে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। তাই ঠাকুর ঘর সংক্রান্ত এই সহজ নিয়মগুলি মেনে চললে কাটিয়ে উঠতে পারবেন এই সমস্যাগুলি।

আরও পড়ুন- জানুয়ারি মাস কেমন প্রভাব ফেলবে কন্যা রাশির উপর, দেখে নিন
 
প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ঠাকুর ঘরে ধূপ ও ধূনো জ্বালতে হবে। পুজোর শেষে ঘন্টা বাজান। কারন ঘন্টার শব্দে ঘরের নেগেটিভ শক্তি দূর হয়ে যায়। আগের দিনের ফুল দিয়ে কখনই ঠাকুরকে দেওয়া উচিৎ নয়। পুজো দেওয়ার সময় সব সময় টাটকা ফুল ও ফলের ব্যবহার করুন। শাস্ত্র মতে, গঙ্গাজল ও তুলসী পাতা পবিত্র বলে সেগুলি অনেক দিন যাবৎ অবধি পুজোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।  তবে শুকনো তুলসী পাতা কখনোই ব্যবহার করা উচিৎ নয়। 

আরও পড়ুন- দশকের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ, কোন রাশিগুলির উপর কেমন প্রভাব পড়বে

পুজোর ঘর সব সময় পশ্চিম মুখে রাখা উচিত। আর পুজোর ঘরের দরজা পূর্ব দিকে হওয়া উচিৎ। তবে সব থেকে ভালো ফল লাভ করা সম্ভব। সন্ধ্যার পুজো হয়ে যাওয়ার পর পরিস্কার কাপড়ে ঠাকুরের স্থান আবৃত করে রাখুন। আর যদি ঠাকুরের ঘর আলাদা থাকে তবে সেই ঘরে অবশ্যই পর্দা দিয়ে ঢেকে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। বাড়িতে গণেশ মূর্তি রাখলে তা অবশ্যই বিজোড় সংখ্যায় না রেখে জোড় সংখ্যায় রাখার চেষ্টা করুন। যদি বাড়িতে শিবলিঙ্গ স্থাপন করা থাকে তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে তা যেন শুকিয়ে না যায়। ক্রমাগত শিবলিঙ্গে জল পড়ছে এমন অবস্থায় রাখতে হবে। শুকিয়ে থাকা শিব লিঙ্গ অশুব লক্ষণ এতে সংসারে অমঙ্গল দেখা দেয়। তবে বাড়িতে শিবলিঙ্গ থাকা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

আরও পড়ুন- শনিবার সারাদিন কেমন কাটবে আপনার, দেখে নিন আপনার রাশিফল

বাড়ির ঠাকুর ঘরে কিছুটা সময় যাতে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারন ঠাকুর ঘরে পর্যাপ্ত পরিমানে সূর্যের আলো ও বাতাস প্রবেশ করলে বাড়ির প্রচুর দোষ কেটে যায় বলে মনে করা হয়। ঠাকুর ঘরে কোনও চামড়ার তৈরি জিনিস রাখা বা নেওয়া একেবারেই উচিৎ নয় বলে মনে করেন অনেকে। তাই যদি এমন কোনও দ্রব্য থেকে থাকে যেগুলি চামড়া দিয়ে তৈরি সেগুলি অন্য ঘরে রাখার ব্যবস্থা করুন।