হিন্দু ধর্মে গঙ্গার জলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই জন্য গঙ্গাকে মায়ের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পুরাণেও গঙ্গাজলের ব্যবহার ও তাত্পর্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। গঙ্গার জলের উপর গবেষণা থেকে এটিও স্পষ্ট যে খাঁটি গঙ্গা জলও বিভিন্ন ধরণের রোগ নির্মূল করতে সক্ষম। গঙ্গার জলে সুখ ও সমৃদ্ধির সঙ্গেও জড়িত। গঙ্গার জল ঘরের বাস্তু ত্রুটি দূর করতেও সহায়ক।

আরও পড়ুন- চাণক্যের এই বিষয়গুলি যে জানে, তিনি কখনও মানুষকে চিনতে ভুল করেন না

এই সময় সারা দেশে পালিত হচ্ছে নবরাত্রি বা দুর্গোৎসব। এই সময় ৯ দিন ধরে দেবী দুর্গার বিভিন্ন রূপের পুজো করা হয়। নবরাত্রিতে উপবাস পালন করে দেবী দুর্গার পুজো করা হয়। দেবী দুর্গার পুজোতেও গঙ্গার জল ব্যবহৃত হয়। যে কোনও পুজো গঙ্গার জল ছাড়া অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। নবরাত্রিতে গঙ্গার জল ব্যবহার করে বহু ধরণের অশুভ শক্তি বাড়ি থেকে বের করা যায়। বাস্তুশাস্ত্রে গঙ্গার জলের উপযোগিতাও উল্লেখ করা হয়েছে। গঙ্গার জলের ব্যবহারে অনেক ধরণের দোষ দূর করা যায়।

 

 

গঙ্গার জল ঘরের নেতিবাচক শক্তি নষ্ট করে দেয়। তাই দুর্গা পুজোর সময় প্রতিদিন সকালে এক ঘটি জলে কয়েক ফোঁটা গঙ্গার জল মিশিয়ে নিন। স্নান সেরে ঘরের ঠাকুর পুজো দিয়ে এই জল বাড়ির প্রতিটি কোণায় ছিটিয়ে দিন। ভাল ফলাফল পাবেন। বাড়িতে নিয়মিত গঙ্গার জল ছিঁটালে ধনাত্মক শক্তি বাড়ায়। প্রতিদিন গঙ্গার জল স্প্রে করলে ঘরের ইতিবাচক শক্তি বাড়ে, একইভাবে কু-দৃষ্টিতে বাধা দেয়। ঘরে যদি ছোট বাচ্চারা থাকে তবে এই কাজটি নিয়মিত করা উচিত।

আরও পড়ুন- কার্তিক মাস কেমন প্রভাব ফেলবে মিথুন রাশির উপর, দেখে নিন

গঙ্গার জল বাড়ির সুখ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গঙ্গার জল সর্বদা পুজোর ঘরের কাছে রাখতে হবে। গঙ্গার জলের বিশেষ বিষয় হল, এটি কখনও নষ্ট হয় না তবে এটি অপরিষ্কার থেকে রক্ষা করা উচিত। নোংরা এবং দূষিত হাতে গঙ্গার জল স্পর্শ করা উচিত নয়। গঙ্গার জল যদি ঘরে থাকে তবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে চলতে হবে।