আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কিছু না কিছু সমস্যা রয়েছে। জীবনের এই সমস্যাগুলোকে সহজেই কাটিয়ে ওঠার জন্য জ্যোতিষীরা নানান রত্ন ধারণের পরামর্শ দেন। তবে রত্ন ধারণে সমস্যা কাটিয়ে ওঠা গেলেও অনেকের পক্ষেই সব সময় রত্ন ধারণ সম্ভব হয় না। একই সঙ্গে গ্রহ প্রতিকারের জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমান অর্থের, যা সকলের পক্ষে ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এই সমস্ত কিছু ছাড়া এমন কিছু নিয়ম আছে যাতে সহজেই আপনি নতুন বছরে সমস্ত বাধা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

 

 

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, একাদশীর দিন কয়েকটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অর্থ সম্পর্কিত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে শুক্রবারে পালন করুন এই নিয়মগুলি। এর ফলে সমস্ত আর্থিক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন সহজেই। যদি কোনও একাদশী শুক্রবারে পরে তবে সেই দিনে এই নিয়মগুলি অবশ্যই মেনে চলুন। তবে সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারবেন আর্থিক সমস্যা। জেনে নেওয়া যাক নিয়মগুলি।

এদিনে ভগবান বিষ্ণুর মন্দিরে গিয়ে ঈশ্বরকে হলুদ রং এর পোশাক উৎসর্গ করুন। মহালক্ষীর পুজো করুন। 'জগদ্ধে বসুদেবায়া'- এই মন্ত্র ১০৮ বার জপ করুন।  তবে আর্থিক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন সহজেই।

 

 

শুক্রবার একাদশীতে সূর্যোদয়ের আগে উঠে পরুন। স্নানের পর ভগবান বিষ্ণুর সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান। এরপর পুজো করে বিষ্ণুর সহস্রনাম পাঠ করুন।

একইসঙ্গে দুধ ও গঙ্গাজল একসঙ্গে মিশিয়ে মহালক্ষীর অভিষেক করুন। দুধ ও গঙ্গাজলে জাফরানও দিতে পারেন। জাফরান না থাকলে হলুদও দিতে পারেন। এর ফলে আর্থিক সমস্যা কেটে যায়, পাশাপাশি সম্পদ লাভও হতে পারে।

শুক্রবার একাদশী তিথিতে কলাগাছের নীচে প্রদীপ জ্বালান। ঈশ্বরের উপাসনা করুন, সেই সঙ্গে লাড্ডু ও ছোলা ও ময়দা দিয়ে তৈরি মিষ্টি অর্পণ করুন।