জ্যোতিষ্ক বিষয়ক তথ্য, সূত্রাবলী ও ব্যবহারিক প্রয়োগসমূহের সামগ্রিক জ্ঞান জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত।  একদিকে যেমন বিখ্যাত বিজ্ঞানী ইয়োহানেস কেপলার একই সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং জ্যোতিষী ছিলেন, আবার অন্যদিকে বিজ্ঞানীদের অনেকে জ্যোতিষশাস্ত্রকে ভ্রান্ত প্রতিপন্ন করতে চেয়েছেন। জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রয়োগসূত্রগুলি কেবল সম্ভাবনা নির্দেশ করে, কিন্তু কোন নিশ্চিত ঘটনার কথা বলে না। তার কারণ এই যে জ্যোতিষীগণ মনে করেন মানুষ সচেতন কর্মের সাহায্যে অথবা ঈশ্বরের আশীর্বাদে অথবা এই দুইয়ের মিশ্রিতফলে ভাগ্য অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবর্তন করতে পারে।

বর্তমান সময়ে ঠিক কোন বিষয় নিয়ে পড়লে ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষার সুবিধা পাওয়া যাবে বা সঠিক পাবে কেরিয়ারে প্রতিষ্ঠা পাওয়া যাবে। এই সকল বিষয় মাথায় রেখেই সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। উচ্চমাধ্যমিকের পর কোন বিষয় নিয়ে পড়তে হবে, সে বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদেরই ও অভিভাবক উভয়েরই চিন্তা থাকে। তাই এই বিষয়ে নেওয়া কোনও ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বিরাট ক্ষতি করে দিতে পারে। তাই উচ্চশিক্ষায় বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক জ্যোতিষ শাস্ত্রের মত।

অঙ্ক নিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে বুধ ও মঙ্গলকে ভাল থাকতে হবে অথবা ছকে বুধাদিত্য যোগ থাকতে হবে তবে খুব ভাল হয়।  তবে যদি জন্মছকে মঙ্গল দুর্বল থাকে বা বুধাদিত্য যোগ না থাকে তাহলে অঙ্ক ছাড়াই সায়েন্স নেওয়া উচিৎ। 
পদার্থবিজ্ঞানের জন্য শুক্র, জীবন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে রবি ও মঙ্গল। 
প্রানীবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রয়োজন চন্দ্র ও রবি। 
ভূগোল নিয়ে পড়ার জন্য ভাল থাকতে হবে মঙ্গল ও বৃহস্পতি। 
বিজ্ঞান নিয়ে যারা পড়তে চান তাদের জন্মছকে মূলত ভাল থাকতে হবে শুক্র, রবি, বুধ ও মঙ্গল। নয়তো ভবিষ্যতে ভালো নম্বর নিয়ে পাশ করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
উদ্ভিদবিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চান তাঁদের ক্ষেত্রে রবি ও চন্দ্র ভালো থাকতে হবে। 
 রসায়ন নিয়ে পড়ার জন্য ভাল থাকতে হবে মঙ্গলকে। 
বিশেষ করে ইনঅর্গানিক কেমিস্ট্রি এবং অর্গানিক কেমিস্ট্রির ক্ষেত্রে মঙ্গলের সঙ্গে ভাল থাকতে হবে চন্দ্রকেও। 
বানিজ্য বিভাগ নিয়ে পড়তে হলে জন্মছকে ভাল থাকতে হবে বুধ ও মঙ্গলকে। মঙ্গল দুর্বল থাকলে অঙ্ক ছাড়াই কমার্স নেওয়া ভাল।