জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, মানব জীবনের ভাগ্যের উল্লেখ থাকে হাতের রেখায়।  হস্তরেখাবিদের মতে, আমাদের সবার হাতে যে আঁকিবুকি কাটা থাকে, তাতেই আমাদের ভবিষ্যৎ এবং চরিত্র সম্পর্কে প্রচুর তথ্য সম্বন্ধে ধারনা পাওয়া সম্ভব। ইংরেজি শব্দ পামিস্ট্রিকে ভেঙে বলা হয় পাম-মিস্ট্রি অর্থাৎ হাতের তালুর রহস্য। হাতের রেখার পাশাপাশি সকলের হাতেই কমবেশি নানান ধরনের, নানান আকারের চিহ্ন থাকে। সাধারণত হাতে যে সকল চিহ্নগুলি থাকে সেগুলি হল চতুস্কোণ চিহ্ন, তারা চিহ্ন, যব বা দ্বীপ চিহ্ন, ক্রশ চিহ্ন ইত্যাদি।  এই চিহ্নগুলি দেখেই ভাগ্য কেমন হবে সে সম্বন্ধে ধারনা করা যায়। এবার জেনে নেওয়া যাক হাতের তালুতে তারা চিহ্ন থাকলে  কি ফল পাওয়া যায়।

হাতে শুক্রের ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতক জাতিকা বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তির সঙ্গে সব সময় সুখ উপভোগ করতে চায়। এদের মধ্যে যৌন আকর্ষণ ক্ষমতা খুব বেশি থাকে। এরা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং অনেকের দ্বারা প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সর্বশক্তিমানের আশীর্বাদে এমন ব্যক্তিরা অনেক কম সময়েই কেরিয়ারের একেবারে উপরের দিকে উঠে যাওয়ার সুযোগ পান। শুধু তাই নয়, নানা কারণে সফলতা এদের রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে।
 

  • জাতক জাতিকার করতলে চন্দ্রের ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে, তারা কল্পনা বিলাসী হয়। এরা সাধারণত জল পথে ভ্রমণ করতে ভালবাসে। চন্দ্রের ক্ষেত্র নিচু হলে এই চিহ্নটি কিছুটা ভাল ফল দেয়। কল্পনামূলক লেখা বা কিছু আবিস্কারের ফলে এরা সম্মান লাভ করে থাকে। 
  • হাতে বুধের ক্ষেত্রে এই চিহ্ন থাকলে সেই ব্যক্তি অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী হয়। এরা সকলের প্রিয়, নানান বিষয়ে পারদর্শী, হৃদয়বান ও বাকপটু হয়। বিজ্ঞান ও বানিজ্যিক ক্ষেত্রে বিশেষ উন্নতি করে এরা।
  • জাতক জাতিকার হাতে বৃহস্পতির স্থানে এই চিহ্ন থাকলে তারা খ্যাতির শীর্ষে উপনীত হন। এই ব্যক্তিরা, বিশেষ কোনও ব্যক্তি বা প্রখ্যাত দলনেতা হয়ে থাকেন।
  • হাতে মঙ্গলের ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতক জাতিকারা দয়ালু মনোভাবাপন্ন ও দৃঢ় স্বভাবের হয়ে থাকেন । যে কারণে এরা অতি সহজেই সাফল্য লাভ করতে পারে। জীবনের প্রথম দিকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হলেও, পরবর্তী জীবনে এরা সুখী হয়।
  • জাতক জাতিকার হাতে রবির ক্ষেত্রে এই চিহ্ন থাকলে তিনি শিল্পী, সাহিত্য ও কাব্য অনুশীলনে খ্যাতি অর্জন করে থাকেন। সেই সঙ্গে হতে পারেন সফল জননেতাও।