প্রত্যেক ব্যক্তিই তার ভবিষ্যত সম্পর্কে ওয়াকিবহল। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগেরই ভবিষ্যত সম্পর্কে জানার ইচ্ছাও থাকে। আমারা অনেকেই ভবিষ্যতে কী হতে চলেছে তা জানতে আগ্রহী। তবে সমুদ্র শাস্ত্র মতে, প্রতিটি ব্যক্তি তাদের অঙ্গের ভিত্তিতে ভবিষ্যতের তথ্য পেতে পারেন। ঠিক যেমন ভাবে হাতের রেখাগুলি দেখে ভবিষ্যতের বিষয়ে জানা যায়, ঠিক তেমনিভাবে দেহের অঙ্গগুলির ভিত্তিতেও সেই ব্যক্তির ভবিষ্যত সম্পর্কে অনুমান করা সম্ভব। কারণ প্রতিটি ব্যক্তির দেহের সমস্ত অঙ্গ আলাদা প্রকৃতির হয়।

সমুদ্রবিদ্যা অনুসারে, নাক ব্যক্তির আর্থিক জীবন থেকে ব্যক্তির স্বভাব সম্পর্কেও অনেক কিছু অনুমান করা সম্ভব। প্রত্যেক ব্যক্তির নাকের আকার ভিন্ন হয়। শাস্ত্র অনুসারে, যাদের নাক তোতাপাখির মতো, তাঁরা জীবনে অনেক বেশি এগিয়ে যায়। এরা যে কোনও কাজেই চেষ্টা করে সাফল্য পায়। অন্যের দুঃখ সহজেই বুঝতে পারে এবং অপরকে আনন্দ দিতে বা বিপদে সাহায্য করতে ভালোবাসেন।

স্বভাবগত দিক থেকে এই মানুষেরা খুব বুদ্ধিমান হন। এরা জীবনকে উপভোগযোগ্য বলে মনে করেন। তাই তারা প্রথমে নিজের সম্পর্কে চিন্তা করে। অন্যের অনুভূতির প্রশংসা করেন তবে মন থেকে নয় । এরা সর্বদা বিলাসিতা উপভোগ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করেন। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সকলে নয়, এদের মধ্যে অপরকে ঠকিয়ে জীবনে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এদের কাছে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করাটাই আসল বিষয়।

তবে খুব বড় নাক থাকা শুভ লক্ষণ বলে বিবেচিত হয় না। এই ব্যক্তিদের সর্বদা অর্থ সম্পর্কিত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। অক্লান্ত পরিশ্রমের পরেও তাঁদের কাছে টাকা থাকে না।

 শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে, সোজা নাক যাদের তাঁদের মধ্যে ধর্মীয় প্রবণতা বেশি পরিমানে লক্ষ্য করা যায়। তারা সহজ  সরল জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন। এ জাতীয় মানুষ খুব বেশি দুশ্চিন্তা করেন না। যাঁরা ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন,মনে করা হয় তাঁদের টাকার অভাব খুব কম হয়। যদি অনুনাসিক গহ্বরগুলিও ছোট হয় তবে এটি আরও শুভ হিসাবে বিবেচিত হয়। এই ধরনের মানুষের জীবনে সব সময় সুখের হয়ে থাকে।

এরা অল্প চেষ্টা করে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম। একই সময়ে, কোনও ব্যক্তি 'নাক' বাঁকা এমনকি ধনী হয়। যদি কোনও ব্যক্তির নাক সামনে থেকে দুভাগে বিভক্ত দেখা যায় তবে তাঁদের দরিদ্র ভোগ করার আশঙ্কা থাকে।