বিদ্যা বালনের সঙ্গে যিশু সেনগুপ্তের মজার রসায়ন 'শকুন্তালা দেবী'র শ্যুটিংয়ে নানা ঘটনা ২০২০ দূর্গা পুজোর প্ল্যান একে একে খোলসা করলেন অভিনেতা 

রিচা বড়ুয়া অধিকারী, বিনোদন সম্পাদক, নিউজেবল

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

'শকুন্তলা দেবী' মুক্তি পেতে আর মাত্র কয়েক দিন। বিদ্যা বালনের জন্য দর্শকমহল যতখানি উৎসাহিত, ততখানি যিশু সেনগুপ্তের জন্য উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। অবশেষে বহুদিন পর তাঁকে সিনেপর্দায় দেখা যাবে তাও আবার বলিউডে। বাংলায় তাঁর ভক্তের সংখ্যার অন্ত নেই। শকুন্তলা দেবী ছবিতে তাঁর কাজ করার খবর শুনেই রীতিমত প্রশ্নে ভরে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কোন চরিত্রে অভিনয় করছেন, বিদ্যার সঙ্গে তাঁকে দেখতে কেমন লাগবে, এই ছবিতে তাঁর লুক কেমন। ট্রেলারে খানিক এসবের ঝলক পেলেও ৩১ জুলাইয়ের জন্য অধীর আগ্রহে বসে সকলে। 

আরও পড়ুনঃ'দিল বেচারা'র সার্চে নাম নেই স্বস্তিকা-শাশ্বতের, বেজায় চটল বাঙালি দর্শক

অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। সম্প্রতি এশিয়ানেটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যিশু, বিদ্যার সঙ্গে তাঁর রসায়ন, বাঙালি হিসাবে ছবির সেটে মজা করা, নিজের অঙ্ক বিষয়টিতে আশক্তি থাকা নানা প্রসঙ্গে কথা বললেন। বিদ্যা বেশ ঝড়ঝড়ে বাংলা বলেপারেন। যিশু এবং বিদ্যা এই বাংলার জানার কারণে সেটে অধিকাংশ কলাকুশলীদের সঙ্গে মজা করতেন। বাংলা বলে তাদের রীতিমত বোকা বানাতেন দু'জনে মিলে। বিদ্যার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার বিষয় জানান, বিদ্যা শ্যুটিং সেটে অত্যন্ত সাবলিল। সকলকে সাহায্য করেন। এবং নিজের কাজ নিয়ে বেশ সিরিয়াস। 

আরও পড়ুনঃ'বলিউডের বিশেষ দল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, এর জেরে ভাল কাজ পাচ্ছি না'

এই বছর দূর্গা পুজো নিয়েও যিশু জানান, প্রতি বছরই তিনি নিজের পুরনো পাড়ার পুজো-এ গভীরভাবে যুক্ত থাকেন। করোনার প্রকোপে এ বছরের মিটিংয়ে সরাসরি গিয়ে উপস্থিত না থাকতে পারলেও ফোনে যোগাযোগ রেখেছিলেন। প্রতি বছর অষ্টমীর দিন সকলকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন তাঁরা। এবারে তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন পুজোটা নামমাত্র করার মত করলেই ভাল হয়। এতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে। অন্যদিকে যে অতিরিক্ত টাকা বাঁচাবে তা দিয়ে পুজোর পাঁচদিন খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন তিনি। যিশুর এই উদ্যোগ যে প্রশংসনীয় তা বলাই বাহুল্য।