বাংলাদেশি অভিনেত্রী তথা সমাজকর্মী রাফিয়াদ রশিদ মিথিলা সৃজিত ঘরণী হওয়ার পর যেন তাকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই নেটিজেনদের। সম্প্রতি কিছুদিন আগেই নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বোল্ড লুকে ধরা দিয়েছিলেন ওপার বাংলার মডেল অভিনেত্রী মিথিলা। আলোআধারিতে সম্পূর্ণ হট লুকে নিজেকে অন্য রূপে মেলে ধরেছিলেন অভিনেত্রী। এরকম হট মুভসে সৃজিত পত্নীকে দেখে চোখ কপালে উঠেছিল নেটিজেনদের। ঠিক তেমনই সমালোচনাতেই উঠে এসেছিলেন মিথিলা।

আরও পড়ুন-গর্ভাবস্থার পরে 'নোংরা' মন্তব্যের শিকার, বডি শেমিংয়ের তোপে যোগ্য জবাব দিয়েছিলেনঐশ্বর্য...

পোশাক বলতে গায়ে শুধু একটা শাড়ি। ব্লাউডহীন মিথিলা এক কথায় অনবদ্য। এত খোলামেলা পোশাকে এর আগে কখনও দেখা যায়নি মিথিলাকে। বোল্ড অবতারে সৃজিত পত্নী যেন লাইমলাইটে উঠে এসেছেন রাতারাতি। মুহূর্তের মধ্যে ছবিটিতে লাইকের বন্যা বয়ে গেছে। এবং তার পাশাপাশি নেতিবাচক মন্তব্যে ভরে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাতা। যদিও তাতে একটুকুও কর্ণপাত করেননি সৃজিত  ঘরণী। উল্টে নেটিজেনদের জানিয়েছেন, 'এখানে তো ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকব। বাইরেও বেরানো হচ্ছে না, তাই এইরকম ছবি মাঝেধ্যেই দেব ভাবছি'। মিথিলার এই মন্তব্যে নেটিজেনদের অনেকেই তাকে বিভিন্ন কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন। কেউ আবার তার হটনেসের প্রশংসাতে পঞ্চমুখ।

 

 

মিথিলা আরও জানিয়েছেন, কলকাতা আসার আগে বেশ কয়েকটি ফোটোশ্যুট করেছিলেন মিথিলা। ছবির সঙ্গে জীবনানন্দ দাশের কবিতার কয়েক লাইন তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। জীবনানন্দের  বনলতা যেন 'আলোআধারি' মিথিলা। মিথিলা লিখেছেন, 'সব পাখি ঘরে আসে— সব নদী, ফুরায় এ-জীবনের সব লেনদেন; থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন। জীবনানন্দ দাশ'।  বর্তমানে মিথিলা মেয়ে আইরাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেই আছেন। বাংলাদেশে বিভিন্ন কাজ তো রয়েইছে এর পাশাপাশি কলকাতাতেও বেশ কিছু কাজের কথা ভাবছেন মিথিলা। এর মধ্যে একটি ওয়েব সিরিজও রয়েছে।

 


কেটে গিয়েছে দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস।  দুজন ছিলেন দুপ্রান্তে । শেষমেষ স্বাধীনতা দিবসই মিলিয়ে দিল ভালবাসার দুই মানুষকে। ১৫ আগস্ট সীমান্ত পাড়ে দেখা করলেন সৃজিত-মিথিলা। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিন বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পার করে এপার বাংলায় শ্বশুরবাড়ির দেশে চলে এলেন অভিনেত্রী তথা সমাজকর্মী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সমালোচনা যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মিথিলা।