পঁচিশ বছর পেরিয়ে পুনরায় তরতাজা সেই স্মৃতি। খেতাব জয়ের পঁচিশ বছর পুর্তি। না, কোনও আয়োজন, জাঁকজমক নয়, কেবলই স্মৃতির পাতা উল্টে দেখা। দিনটি ছিল ২১ শে মে,  ১৯৯৪। সুস্মিতা সেন-এর শীরে উঠেছিল মিস ইউনিভার্স-এর খেতাব।  

বয়স তখন উনিশ। ১৯৯৩-তেই মিস ইন্ডিয়ায় প্রথম স্থান অধিকার সূত্রে সুযোগ মেলে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় নাম লেখানোর। এরপরই দীর্ঘ পথ পেড়িয়ে বিচারকদের মুখে উঠে আসে সেই নাম, সুস্মিতা সেন। জীবনের সেরা মুহুর্তগুলোর মধ্যে আজও যা ঝলমল করছে সুস্মিতা সেন-এর স্মৃতিতে।

প্রতিযোগীতায় নিজের বিবৃতিতে ভারত সম্পর্কে সুস্মিতা লিখেছিলেন- ভারতের জীবনের প্রতিচ্ছবিই হল ভালোবাসা। সেরা দশে অর্থাৎ সেমিফাইনালে ওঠার পর, সঞ্চালক তাকে এই মন্তব্য বিশ্লেষণ করতে বলেছিলেন। উত্তরে সুস্মিতা সেন জানিয়ে ছিলেন, ভারত এমন একটা দেশ যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে একযোগে বসবাস করে। ভারতে ১৬৮ ধরনের ভাষা আছে। এত বৈপরীত্য থাকা সত্ত্বেও সকলে শান্তিতে নিজের মতন করে জীবন কাটাচ্ছেন, এটাই তো ভারতীয় জীবনের ছবি।

নিজের আত্মবিশ্বাস, মনোসংযোগ ও একাগ্রতার বলে প্রতিযোগিতায় একের পর এক ধাপ পেড়িয়েছিলেন তিনি। অবশেষে এসেছিল সেই মহেন্দ্রক্ষণ। সেই বছর থেকেই শুরু বলিউডের জার্নি। একে একে আসতে থাকে ছবির সুযোগ। তারপরই ১৯৯৬-এ প্রথম ছবিতে আত্মপ্রকাশ করে সুস্মিতা সেন। ছবির নাম দস্তক। ২৩ বছরের কর্মজীবনে মোট ৩৫টি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। মিস ইন্ডিয়া, মিস ইউনিভার্স-তো আছেই, সঙ্গে চলচ্চিত্র জগত থেকেও মেলে মোটের ওপর নয়টি পুরষ্কার।