সারা দেশ জুড়ে করোনা আতঙ্কে নাজেহাল বিশ্ববাসী। একের পর এক শহরে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে এই রোগ। এই পরিস্থিতিতে বাঁচার একটাই রাস্তা হোম আইসোলেশন।ইতিমধ্যেই বিশ্বের বহু প্রান্তের মানুষ স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে যাচ্ছেন। করোনা থেকে নিজেকে আটকাতে আপাতত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, এবং একা থাকাই সবথেকে বেস্ট অপশন।  করোনা সতর্কতায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অভিনেত্রী শেফালি শাহ। সিনেমা থেকে ওয়েব সিরিজ সবেতেই জনপ্রিয় শেফালি। করোনা মোকাবিলায় হোম আইসোলেশন কতটা জরুরি, সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই বার্তা  দিলেন  অভিনেত্রী।

সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। যেখানে দেখা গিয়েছে, পুরো মুখটাই প্লাস্টিক দিয়ে মুড়ে রেখেছেন  শেফালি। তিনি জানিয়েছেন, 'হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অনেকটা এই প্লাস্টিকে মুখ জড়িয়ে রাখার মতোই ব্যাপার। একটা সময় পর দমবন্ধ হয়ে আসে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কিছু করার নেই। নিজেকে, নিজের পরিবারকে এবং আশেপাশের সবাইকে নিরাপদে রাখতে হলে এই মুহূর্তে বাড়িতে নিজেকে বন্ধ করে রাখা অবশ্যই প্রয়োজন।'

তিনি আরও জানিয়েছেন,'প্লাস্টিকে মুখ জড়িয়ে রাখায় তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। কারণ তার ফুসফুসে সমস্যা হচ্ছে। তাহলে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে কতটা সমস্যা হবে সেটা একবার বুঝে দেখুন। এটা যদি সতর্ক হওয়ার জন্য যথেষ্ঠ না হয় তাহলে জানি না ভয়ানক  পরিস্থিতি হলে মানুষ কী করবেন।' এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সকলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন অভিনেত্রী।সারা বিশ্বে লকডাউনের ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। এই লকডাউন চলাকালীন সকলেই ঘরবন্দি।   ইতিমধ্যেই বিশ্বের বহু প্রান্তের মানুষ স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে যাচ্ছেন। করোনা থেকে নিজেকে আটকাতে আপাতত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, এবং একা থাকাই সবথেকে বেস্ট অপশন।


বিদেশ থেকে ভারতে আসার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে অনেকদিন আগেই।  আর এই নিষেধাজ্ঞা জারির ঠিক একদিন আগে নিজের দুই ছেলেকে স্পেন থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনেন শেফালি। তারপর  থেকেই ক্রমাগত নিজের ইনস্টা স্টোরিতে তিনি শেয়ার করেছিলেন যে কীভাবে ছেলেদের আইসোলেশনে রাখছেন। এর পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছিলেন, যে উঠতি বয়সের দুই ছেলেকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা একটা যুদ্ধের সমান। কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী এটাই সবচেয়ে ভাল উপায়।  বাড়িতে ফিরিয়ে আনার পর দুই ছেলেকেই কড়া নজরে রেখেছিলেন । হোম কোয়ারেন্টাইন ভেঙে যাতে কেউ কোনও ভুল কাজ করতে না পারে সেদিকে নজর ছিল শেফালির।