বিজেপি এমএলএ নন্দকিশোর গুর্জরের থবি বিনা অনুমতিতে ব্যবহৃত হয়েছে অনুষ্কা শর্মার 'পাতাল লোক'-এ। এমনই অভিযোগ এনে অনুষ্কার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন নন্দকিশোর। তাঁর কথায় পাতাল লোকের একটি দৃশ্যে ফিকশনাল কোরাপ্টেড এক রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ছবি বসানো হয়েছে। সিরিজটিকে জাতিবিদ্বেষী বলেও দাবি করেছেন তিনি। বাজপেয়ী হল এই শোয়ের ভিলেন। তাঁকে একটি হাইওয়ের উদ্বোধন করতে দেখা যাচ্ছে। সেখানে গুর্জর ঠিক পিছনেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আসল ছবিতে উদ্বোধনে ছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। আসল ছবিটি ২০১৮ সালের। গুর্জর এও দাবি করেছেন, সিরিজটির উদ্দেশ্য হল বিজেপির বিরুদ্ধে মানুষকে উস্কানো।  

 

 

এতদিন 'পাতাল লোক'র প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিল নেটদুনিয়া। হঠাৎই শুরু হল রঙবদলের খেলা। ঘুরে গেল টেবিল। সিরিজটি নিয়ে ইতিমধ্যেই একাংশ নেটিজেন জানিয়েছে ব্যান করার দাবি। তাদের দাবি হিন্দুফোবিয়া ছড়াচ্ছে সিরিজটি। সিরিজে হিন্দুদের ভিলেন দেখিয়ে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে করছে দর্শকদের। অঙ্কুর সিং নামক এক ব্যক্তি ট্যুইট করে লেখেন, যেখানে বাস্তব জীবনে ডন, ভিলেন হল আদপে মুসলিম সেখানে সিরিজগুলিতে দেখানো হচ্ছে হিন্দুরাই ভিলেন। সিরিজে অভিনয় করেছেন নীরজ কবি, গুল পনাগ, জয়দীপ আলাওয়াট, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, অনিন্দিতা বসু।

চিত্রনাট্য অনুযায়ী, সঞ্জীব মিশ্র, চল্লিষোর্ধ্ব একজন সাংবাদিক। সংবাদমাধ্যমের খারাপ, ভাল, সত্য, মিথ্যে এবং স্বর্গ লোকের রাস্তা সবকিছুই বেরিয়ে আসবে সঞ্জীবের হাত ধরে। অন্যদিকে মধ্যবিত্ত পরিবারের সত্যতাকে তুলে ধরার কাজ হাতিরাম চৌধুরি এবং তাঁর স্ত্রী রেনু চোধুরির। ধরতি লোকের দৃশ্য ফুটে উঠছে হাতিরামের ব্যক্তিগত জীবনের মাধ্যামে। মার্ডারের হাত থেকে ভাগ্যের জোরে বেঁচে যাওয়া সঞ্জীবের কেস আসবে হাতিরামের কাছে। সেখানেই মিলে গেল স্বর্গ লোক এবং ধর্তি লোক। বাকি রইল পাতাল লোক। মারপিট দাঙ্গা, সিরিয়াল কিলিং, ধর্ষণ, কিডন্যাপ এগুলো তো দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছে। সেখানকার এক কোল্ড ব্লাডেড ক্রিমিনাল, অর্থাৎ ঠান্ডা মাথায় সাংঘাতিক কাজ করার ক্ষমতা রাখে যে ব্যক্তি সে হল বিশাল তিয়াগি। হাতোড়া তিয়াগি নামেই বেশি পরিচিত। ধীরে ধীরে মিলে গেল তিনটে পৃথিবী।