গুঞ্জণ সাক্সেনা, কার্গিল গার্লকে নিয়ে ছবি হবে, প্রস্তাব পাওয়ার পরই অবাক হয়েছিলেন তিনি। তাঁর জীবন নিয়ে ছবি করার মত এমন কীই বা আছে। পরবর্তীতে বেজায় খুশি হয়ে জানিয়েছিলেন, যখন কেউ ভালো বলে, প্রশংসা করে, তখন জীবনের মানেটাই বদলে যায়। বাস্তবের কঠিন মাটিতে যিনি যুদ্ধের ময়দানে বুক ঠুকে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন, তিনি জাহ্নবীকে প্রতিটা পদেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন গুঞ্জণ হয়ে উঠতে। 

আরও পড়ুনঃ "দেশের সেবায় নিজেকে হিরো ভেবে নয় ভালবেসে এগোতে হয়", গুঞ্জন সাক্সেনা নিয়ে জাহ্নবীর মন্তব্য

একবার জাহ্নবী পরিশ্রম করে সেটে ফুঁটিয়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন, গুঞ্জণের সঠিক কতটা শ্রম লেগেছিল, সেই দৃশ্য। টেকের পর টেক, একসময় সেটে উপস্থিত গুঞ্জণ জাহ্নবীকে প্রশ্ন করে কষ্ট হচ্ছে না তো। প্রশ্ন শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন জাহ্নবী। জানিয়েছিলেন, আমি তো অভিনয় করছি, বাস্তবে তো আরও অনেক কঠোর শ্রমের সন্মুখীন হতে হয়েছিল গুঞ্জণকে। এই ধরণের চরিত্রে জাহ্নবী প্রথম, তাই আগে থেকে নিতে হয়েছিল একাধিক ট্রেনিং। 

 

 

কীভাবে বন্দুক ধরতে হয়, কীভাবে যুদ্ধের ময়দানে লড়াই চালিয়ে যেতে হয়, সবটাই শিখতে হয়েছিল, শরীরচর্চাতেও দিয়েছিলেন মন। বেশকিছু শট এমনও রয়েছে, যা একাধিকবার রিটেক করার পরই সন্তুষ্ট হয়েছিলেন জাহ্নবী কাপুর। পোশাক পরা, শটের জন্য রেডি হওয়া, এমনই কিছু টুকরো স্মৃতির কোলাজ দিয়েই গুঞ্জণ সাক্সেনার বায়োপিক তৈরির ছবি শেয়াল করেছেন জাহ্নবী। বুধবারই নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে এই ছবি।