ট্যুইটারে প্রবেশ করতে না করতেই একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে চলেছেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকির স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকি। ট্যুইটারে আজই অ্যাকাউন্ট খুলেছেন আলিয়া। তবে এই অ্যাকাউন্ট খোলার পিছনে রয়েছে অন্য কাহিনি। ট্যুইটারে আসার কারণ একটাই। সত্য ফাঁস করবেন তিনি। নিজের প্রথম ট্যুইটে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আলিয়া। চারিদিকে গুঞ্জন, অন্য ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের কারণেই নওয়াজকে ডিভোর্স দিচ্ছেন আলিয়া। তাঁর কথায়, তাঁর চরিত্রে না জেনেই কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাগ লাগানো হচ্ছে। তিনি কারও সঙ্গে কোনও সম্পর্কে নেই। একের পর এক ট্যুইটে ক্রমশ বেড়েই চলেছে জল্পনা। প্রথম ট্যুইটে তিনি বলেন, ওনাকে একরকম জোর করা হয়েছিল সত্যি চেপে রাখার জন্য। কিন্তু নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে কখনও সত্যকে চাপা দেওয়া যায় না।

 

তিনি এও লেখেন, যে কোনও ব্যক্তির সঙ্গে তিনি সম্পর্কে লিপ্ত হননি। যে সকল সংবাদমাধ্যম তাঁর বিষয় এমন খবর লিখছেন তা সব মিথ্যে। তাঁর ছবি ভুল ভাবে ক্রপ করে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রত্যেকটি সংবাদমাধ্যমকে ট্যাগ করে তিনি আসল ছবিগুলি পোস্চ করেছেন। যেখান থেকে তাঁকে ক্রপ করে ভুলভাবে ব্যহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ছবি থেকে তাঁর চরিত্র নিয়ে মিথ্যে ছড়ানো হচ্ছে।

ছবিগুলি একটি পার্টির। সেখানে তাঁর সঙ্গে ছিল আরও তিনজন মহিলা। তাদের সঙ্গে আলিয়ার ছবি আছে। আলিয়া মোট তিনটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে বেশিরভাগ ছবি সেই মহিলাদের সঙ্গেই তোলা। খুব সম্ভবত আলিয়ার জন্মদিনের পার্টিতেই এই ছবিগুলি তোলা হয়েছে। জায়গাটি একটি পাব। শেষের ছবিতে আলিয়া এবং আরেক পাশে একজন মহিলা। মাঝখানে একজন ব্যক্তি। তাকেই আলিয়ার প্রেমিক বলে দাবি করছে কিছউ সংবাদমাধ্যম।

 

 

আর একটি ট্যুইটে আলিয়া লেখেন, "আমি এখন নিজের জন্য লড়তে শিখে গিয়েছে। আমার সন্তানদের জন্য আমায় শক্তহাতে সবকিছু সামলাতে হবে। আমি আজ পর্যন্ত কোনও ভুল কাজ করিনি। তাই আমি চিন্তিত বা ভীত নই। টাকা কখনও সত্যিকে কিনতে পারে না।" তিনি আরও বলেন, যে সকল সংবাদমাধ্যম তাঁর বিরুদ্ধে যা যা মিথ্যে খবর ছড়িয়েছে, তাদের সকলের কাছ থেকেই জবাব চান তিনি। আলিয়া এবং নওয়াজের বৈবাহিক সম্পর্ক এগারো বছরের। এক ঝটকায় ভেঙে যাওয়ার পিছনে কে দায়ী সে নিয়েই প্রশ্ন উঠেন বিনোদনমহলে।