ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যকম কর্ণধার ছিলেন তিনি। হিন্দি চলচ্চিত্র যখন নির্বাক, সাদা কালো, তখনই বোম্বেতে অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে চলে আসেন পৃথ্বীরাজ কাপুর। সিনেমার জগতে তাঁর হাতে খড়ি দো ধারি তলোয়ার ছবির মাধ্যমে। যদিও এই সিনেমায় তিনি পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। অভিনেতা হিসেবে পর্দায় প্রথম আত্মপ্রকাশ করেছিলেন তাঁর তৃতীয় ছবিতে, নাম সিনেমা গার্ল (১৯২৯)।

কাপুর পরিবারের চলচ্চিত্র জগতের একচেটিয়া আধিপত্যের সূত্রপাতটা ঘটিয়ে ছিলেন তিনিই। মোটের ওপর নয়টি নির্বাক ছবিতে অভিনয় করার পর ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছিলেন অভিনেতা। ভারতেবর্ষের প্রথম সবাক ছবি আলম আরা-তে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তারপরই শুরু হয়েছিল বলিউডের কালজয়ী অধ্যায়।

অভিনয়ের মূলই হল থিয়েটর, তিনি এই মন্ত্রেই ব্রত ছিলেন। ১৯৪৬ সালে তৈরি করেছিলেন পৃথ্বী থিয়েটার। যার ৫০তম বর্ষপূর্তীর উপলক্ষ্যে ভারত সরকার ১৯৯৬ সালে স্যাম্পও তৈরি করেছিলেন থিয়েটর সংস্থার নামে। এই থিয়েটারের জনপ্রিয়তা ছিল দেশ জুড়ে। থিয়েটর শুরু কিছু বছরের মধ্যেই তাঁর বড় সন্তান রাজ কাপুর চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করে। এরপর থেকেই বলিউডে চিত্রটা যায় পাল্টে।

পৃথ্বীরাজ কাপুর অভিনীত মোগল ই আজাম ছবির স্মৃতি আজও সকলের মনে তরতাজা। অভিনয় জীবনে বিস্তর সাফল্যের জন্য তিনি পেয়েছিলেন দাদা সাহেব ফালকে এবং পদ্মভূষণ পুরষ্কারও। ২৯শে মে পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু দিবসে উপলক্ষ্যে তাঁর পুত্র ঋষি কাপুর সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবার ছবিসহ টুইট করেন।