বাড়ির অন্দর মহলের আলিয়া আলিয়ার অভইনয় নিয়ে কী জানালেন কেন বেছে নিলেন নো ফাদার ইন কাশ্মীর স্কিপ্ট

বড় বর্দায় তিলে তিলে তার পরিপূর্ণতার সাক্ষি থেকেছে দর্শকস্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার থেকে শুরু করে কলঙ্ক। একের পর এক বক্স অফিস হিট দিয়েছেন বলিউড তনয়া আলিয়া ভাট। মা হিসেবে কতটা গর্বের!

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সোনি রাজদানঃ নিঃসন্দেহে গর্ব বোধ করি

এএন বাংলাঃ রাজি ছবিতে এক সঙ্গে কাজ করা, অভিজ্ঞতা কেমন?

সোনি রাজদানঃ খুবই ভালোলেগেছে কাজ করে। সেই শ্যুটিং-টাও ছিল কাশ্মীরে।

এএন বাংলাঃ তাহলে কাশ্মীর প্রসঙ্গে আসি, নো ফাদার ইন কাশ্মীর-ই কেন, কোন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এ ছবি করার সিদ্ধান্ত নিলেন?

সোনি রাজদানঃ আমি যখন প্রথম স্ক্রিপ্ট পড়ি, তখন বুঝতে পারি, এমন একজন এটি লিখেছেন যে মানুষটা (পরিচালক অস্ভিন কুমার) কাশ্মীরকে খুব কাছ থেকে চেনেন। প্রাণ ছিল স্ক্রিপ্টটার মধ্যে।

এএন বাংলাঃ এখন বাস্তব প্রেক্ষাপটে বহু ছবি হচ্ছে, সেই পন্থায় কি কাশ্মীরের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরছে এই ছবি?

সোনি রাজদানঃ সাধারণত রোমান্টিক বিনোদনমূলক প্লটেই বেশি কাজ হয় কাশ্মীরে। কাশ্মীরের ভেতরে অনেক গল্প লুকিয়ে আছে। সেগুলো সাধারণ মানুষের সামনে আসা প্রয়োজন। মানুষ কেবল একটা দিক জানতে পারছে, কাশ্মীরের গ্রামীণ মানুষগুলোর কথা উঠে আসছে না।

এএন বাংলাঃ এক সপ্তাহে মায়ের ছবি, পরের সপ্তাহে মেয়ের ছবি কলঙ্ক মুক্তি পেল। আবারও এক বিগ বাজেট ছবিতে আলিয়া। ক্রমেই আলিয়ার অভিনয় পরিণত হচ্ছে, স্ক্রিপ্ট কিভাবে বেছে নিচ্ছে আলিয়া?

সোনি রাজদানঃ ও প্রথম থেকেই সব ধরনের ছবি করেছে। হাইওয়ে ছিল ওর দ্বিতীয় ছবি, যেখানে বেশ পরিণত চরিত্রে অভিনয় করে ও। তবে শুধুই যে গুরুগম্ভির বিষয় ছবি করে সেটা মোটেই নয়, মজার রোমান্টিক বিনোদনমূলক ছবিও অনেক করছেমূলত আলিয়া ব্যালেন্স করে বিষয়টা। সব ধরনের অভিনয়টাই করার চেষ্টা করে।

এএন বাংলাঃ পর্দার আলিয়াকে তো সবাই চেনে, মায়ের চোখে আলিয়া কেমন?

সোনি রাজদানঃ খুব সাধারণ একটা মেয়ে। কাজের ব্যস্ততার মধ্যে না থাকলে গল্প করা, আড্ডা দেওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসে। বাইরে সময় কাটানো, কেনাকাটা করা, ডিনার-লাঞ্চ, এসবের মধ্যে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। কখনও সময় পেলে সাঁতারও কাটে, এটা ওর খুব পচ্ছন্দের। ছোটবেলায় হোক বা এখন ও খুবই সাধারণভাবে থাকবে ভালোবাসে। খুব সহজ সরল।