এর আর রহমানের সুরে শেষ নেচেছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। মুক্তি পেল দিল বেচারার টাইটেল ট্র্যাক। তাঁকে শেষবারের মত সিনেপর্দায় দেখে আবেগে ভরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অভিনেতা যে আর নেই, এ কথা বিশ্বাসই করে উঠতে পারছেনা ভক্তরা। লাইকস এবং ভিউজের বন্যা বয়ে চলেছে ভিডিওতে। সুশান্তের শেষ ছবি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। ছবির ট্রেলারের মত গানটিরও ভিউজে রেকর্ড গড়ার চেষ্টায় রয়েছে নেটিজেনরা। জন্ম কখন হবে আমাদের হাতে, তেমন মৃত্যুও আমাদের হাতে নয়। তবে জীবনটা বাঁচতে শেখার চেষ্টাটা আমাদের করে যেতে হয়। দিল বেচারার ট্রেলার জুড়ে এই কথাটি যেন বার বার কানে বাজছে দর্শকের। 

আরও পড়ুনঃ'বিছানায় অনেক বেশি সময় নেন রণবীর', বেডরুম সিক্রেট থেকে বাথরুমের গোপনীয়তা ফাঁস করেছিলেন দীপিকা

সুশান্তের এই সংলাপ যেন দাগ কেটে গেল মনে। সত্যিই তো জন্ম আমাদের হাতে নেই। তবে মৃত্যু, পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, তিনি নিজের মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং নেটিজেনের দাবি অনুযায়ী, সুশান্তের মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলিউডের মাফিয়া। তবে এখন আর কোনও রাজনীতি, অরাজকতার কথা নয়, কথা হবে সুশান্তের শেষ ছবি নিয়ে। বিশ্বাস করতে বড্ড অসুবিধা হচ্ছে, স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপের পর্দায় দেখা এই মানুষটা আর নেই। ছবির নায়িকা সঞ্জনা অভিনয় করেছেন কিজি বসুর চরিত্রে। ক্যান্সারে আক্রান্ত কিজি। তাঁর জীবনে আলোর রশনাইতে ভরে তুলল ম্যানি (সুশান্ত)। অন্যের জীবনে হাসির ফোয়ারা এনে সেই কিনা এক মুহূর্তে গায়েব হয়ে গেল।

আরও পড়ুনঃ'অক্ষয়ের কাছাকাছি ঘেষলেই বিপদ আরও বাড়বে', রেখাকে হুমকি রবিনার 

এই প্রাণ জোড়ানো হাসি দেখে কে বলবে মানসিক অবসাদ ছিল তাঁর। বন্ধু সংখ্যা কম, বেশি কথা বলা পছন্দ করতে না বলেই যে কেউ মানসিক অবসাদে ভুগবে তেমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। খুন নাকি আত্মহত্যা, এই নিয়ে লিখতে লিখতে হাত ব্যাথা হয়ে গিয়েছে সকলের। মৃত্যু নিয়ে কাটাছেড়াটা না হয় এখন থাক। মন ভরে দেখা যাক ছবির ট্রেলার। এমন প্রতিভা বলিউডে সত্যিই বিরল। না থেকেও প্রমাণ করে দিয়ে গেলেন সুশান্ত। হলিউড ছবি দ্যা ফল্ট ইন আওয়ার স্টারসের হিন্দি রিমেক 'দিল বেচারা'। ইংরেজি ছবিটিতে শেষে মারা যায় ছবির নায়ক। মৃত্যুর আগে জীবনকে বাঁচার সমস্ত উপায় হেজেলকে শিখিয়েছিল গাস। এখানেও কিজিকে হাসতে শেখাল ম্যানি। কিজির পাশাপাশি চোখে জল নিয়ে হাসল সুশান্তের অগণিত ভক্তরা। ছবিতে বিশেষ ভূমিকায় দেখা যাবে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় এবং শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কেও।