আন্তর্জাকির পপস্টার রিহান, জলবায়ু আন্দোলনের কর্মী গ্রেটা থুনবার্গের পর আবারও ভারতের কৃষক আন্দোলন নিয়ে উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতি। ব্রিটিশ সাংসদ লিসেস্টার ইস্ট ক্লাডিয়া ওয়েবে দিল্লির উপকণ্ঠে চলা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে লন্ডনে অবস্থিত  ভারতীয় হাইকমিশনার একটি খোলা চিঠি লিখেছে। একই সঙ্গে গোটা ঘটনার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন তিনটি কৃষি আইনের প্রতি সমর্থন জানান হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে সমস্যা মেটাতে কেন্দ্রীয় সরকার তৎপর। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে ব্রিটিশ সাংসদ লিসেস্টার ইস্ট ক্লাডিয়া ওয়েব দিল্লির উপকণ্ঠে চলা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আন্দোলনকারী কৃষকদের পাশেথাকার বার্তাও দিয়েছেন। পাশাপাশি কৃষক আন্দোলন সংক্রান্ত টুলকিট মামলায়  গ্রেফতার হওয়ার দিশা রবি ও কৃষক আন্দোলনে যুক্ত হরিয়ানার নেত্রী নওদীপ করের গ্রেফতারের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন শান্তিপূর্ণ কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন এঁরা। গোটা ঘটনাকে তিনি কর্তৃত্ববাদ ও মুক্তবাজারি পুঁজিবাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে বলেও ব্যক্ত করেন। বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

লিসেস্টার ইস্ট ক্লাডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতেই ভারতীয়া হাইকমিশনের পক্ষ থেকে একটি খোলা চিঠি লেখা হয়। যেখানে নতুন তিনটি কৃষি আইনের পক্ষে সমর্থন জানান হয়েছে। বলা হয়েছে কৃষি আইনগুলি ভারতীয় সংসদে যাথাযথ আলোচনা হয়েছিল। আইনের ফলে ইতিমধ্যে ১০০ মিলিয়নের বেশি ক্ষুদ্র কৃষক উপকৃত হচ্ছে। হাইকমিশনের চিঠিতে কৃষক ও সরকারের বৈঠকের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে ১১দফা আলোচনা হয়েছে। সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করছে। সরকার সমস্যা মেটাতে ইচ্ছুক বলেও দাবি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করেতও আহ্বান জানান হয়ছে ব্রিটিশ সাংসদকে। হাইকমিশনারের চিঠিতে বলা হয়েছে, সমস্যা মেটাতে আগ্রহী ভারত। আর আন্দোলনকারী কৃষকরা ভারতীয় আইন ও সুরক্ষা সম্পর্কে আগ্রহী বলেও জানান হয়েছে।