শনিবার জার্মান সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতে বিনিয়োগের আহ্বানে উৎসাহী জার্মান সংস্থাগুলি। 

প্রথম সারির জার্মান সংস্থার প্রধান কর্মকর্তাদের একটি দল শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা ভারতের গ্রিন হাইড্রোজেন তৈরির প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারেও তাঁরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সফটওয়ার মেজর সিস্টেম অ্যাপলিকেশন ও প্রোডাকশনের সিইও ক্রিশ্চিয়ান ক্লেইন বলেছেন,ভারতের স্থায়িত্বের জন্য উচ্চাকাঙ্খা রয়েছে। গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপান করতে সরবরাহ চেইনগুলিকে ডিকার্বানাইজ করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চায়। দুটি বিষয়েই ভারতের শক্তিশালী এজেন্ডা রয়েছে।

জার্মান সংস্থাগুলির সিইওদের একটি দল শনিবার প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেছিল। ভারতে শিক্ষাগত ও ব্যবসায়িক সুযোগ ব্যবহার করার জন্য জার্মান কর্পোরেটদের আমন্ত্রণ জানান হয়েছে। তাতে জার্মান সংস্থাগুলিও উৎসহ দেখিয়েছে। জার্মান চেন্সেলর ওলাফ স্কোলজ দুই দিনের সফরে ভারতে এসেছেন। দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ডয়চে পোস্ট ডিএইচএল গ্রুপের সিইও টোবিয়াস মেয়ার বলেছেন তার সংস্থা ৪৫ বছরেরো বেশি সময় ধরে ভারতে সঙ্গে কাজ করেছে। দেশটি অতীতে জার্মান সংস্থার জন্য একটি ভাল বাজার হিসেবেও নিজেকে তুলে ধরেছিল। ভারতে প্রচুর সম্ভবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। ভারতের বাজারে গতি আছে বলেও জানিয়েছেন।

জার্মান প্রতিরক্ষা সংস্থা রেঙ্কের সিইও সুজান ওয়েইগ্যান্ডও ছিলেন জার্মান প্রতিনিধি দলে। তিনি বলেন, এখানে এসে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে একটি বৈঠকে যোগ দিতে পেরে খুবই সম্মানিত। আগামী দিনি তারা ভারত সরকারে এক বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছেন। ভারতীয় সেনা বাহিনী ও নৌবাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে তাঁর সংস্থা।

এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জার্মান সংস্থার সামনে মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন। তারা তাতে রীতিমত উৎসহ দেখিয়েছেন। মোদীর নেতৃত্বে ভারতের ব্যবসায়ীক উন্নয়নেও রীতিমত আস্থা দেখিয়েছেন। ভারত নিজেকে উত্পাদন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং প্রকৌশল পরিষেবাগুলির জন্য একটি ভাল কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে।বিভিন্ন ক্ষেত্রের নেতৃস্থানীয় জার্মান উত্পাদন সংস্থাগুলির সিইওদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক কেন্দ্রের 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।