স্বস্তি মিলছে না আপ সরকারের। নিজামুদ্দিনকাণ্ড সামনে আসতেই সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন দিল্লি সরকার লেফট্যানেন্ট গভর্নরকে ইতিমধ্যেই চিঠি লিখে এফআইআর দায়ের করার অনুমতি চেয়েছে। পাশাপাশি অরবিন্দ কেজরিওয়াল আরও জানিয়েছেন যদি প্রশাসনের কারও গাফিলতি প্রমানিত হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 

অরবিন্দ কেজরিওয়াল আরও জানিয়েছেন, দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭। যারমধ্যে ২৪ জনের সঙ্গেই যোগ রয়েছে নিজামুদ্দিনের অনুষ্ঠানে সামিল হয়েছিলেন। ৪১ জন বিদেশ ভ্রমণের পূর্ব ইতিহাস রয়েছে। আর ২২ বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের আত্মীয় যাঁরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। তবে নিজামুদ্দিনেকাণ্ড সামনে আসার পর থেকেই অনেকেই দাবি করেছেন দিল্লিতে মহামারী গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। যদিও এই বিষয়টি মানতে রাজি হননি অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি জানিয়েছেন এখনও দ্বিতীয় ধাপেই রয়েছে। করোনাভাইরাস এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায় পড়েনি। 


এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, প্রায়  দেড় হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল নিজামুদ্দিনে। যারমধ্যে ৪৪১ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ১,১০৭ জনের শরীরে এখনও পর্যন্ত কোনও উপসর্গ পাওয়া যায়নি। কিন্তু তাও তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে। 

মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে নিজামুদ্দিনে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে সামাজিক দূরত্ব না মেনে ঠেসাঠেসি করে জড়ো হয়েছিলেন হাজারখানের লোক। কিন্তু করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যখন দেশে বাড়ছে তখন কেন এই জানিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল তাই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।