মহল্লা ক্লিনিকের দুই চিকিৎসকের পর এবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক।  আর তারপরেই বন্ধ করে দেওয়া হল দিলসাদ গার্ডেন নামে ক্যান্সার হাসপাতাল। আক্রান্ত চিকিৎসক ক্যান্সার হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। একই সঙ্গে আক্রান্ত চিকিৎসকের সংস্পর্শে যেসব স্বাস্থ্যকর্মী ও নার্সরা এসেছিলেন তাঁদের পাঠানো হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। হসপাতাল সূত্রে জানান হয়েছে আক্রান্ত চিকিৎসকের সংস্পর্শে এসেছিলেন একাধিক স্বাস্থ্য কর্মী ও নার্স। 

আক্রান্ত চিকিৎসকের ভাই ও তাঁর স্ত্রী কিছুদিন আগেই ইংল্যান্ড থেকে ফিরেছিলেন। তাঁদের বাড়িতেই বেড়াতে গিয়েছিলেন ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসক। ওই চিকিৎসকের দুই আত্মীয়ের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণেরা উপসর্গ পাওয়া গিয়েছিল। চিকিৎসকের দুই আত্মীয় ভর্তি রয়েছেন বিএল সেরাওয়াল হাসপাতালে।  আত্মীয়ের থেকেই ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসক সংক্রমিত হয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুনঃ ২১ দিনের লকডাউনের খেসারত দিতে হতে পারে ১৩ কোটি কাজ হারানোর মধ্য়ে দিয়ে

আরও পড়ুনঃ ঢাল নেই, তরোয়াল নেই, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যেন নিধিরাম সর্দার ভারতীয় চিকিৎসকরা

ক্যান্সার হাসপাতলের চিকিৎসকের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ হওয়ার পরই তড়িঘড়ি করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দিলসাদ গার্ডেন হাসপাতাল। বুধবার পুরো দিনই বন্ধ থাকবে হাসপাতলের কাজকর্ম। হাসপাতালের পুরো ওপিডি  জীবানুমুক্ত করার কাজ চলছে। দিল্লিতে চিকিৎসক আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেই মহল্লা ক্লিনিকের চিকিৎসক দম্পতি করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের সংস্পর্শে আসা প্রায় বহু মানুষকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছিল। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী দিল্লিতে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত সংখ্যা ১০০। মৃত্যু হয়েছেল ২ জনের। গতকালই সামনে এসেছিল নিজামুদ্দিনের ঘটনা। সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মহু মানুষই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। যা নিয়ে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।