দেশ জুড়ে আবারও বাড়ছে করোনার ভয়। তবে কি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যা আছড়ে পড়তে চলেছে। রবিবার ভারতে ১৪ হাজারেরও বেশি নতুন করে করোনভাইরাস আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, যা দেশব্যাপী ১১ কোটির সংখ্যা ছাড়িয়েছে। এদিকে, গত ২৪ ঘন্টা কমপক্ষে আরও ৮০ জন রোগী মারা গিয়ে মৃতের সংখ্যা ১,৫৬,৪৪২ জন। কেরালা এবং মহারাষ্ট্র, এই দুটি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্য। ররিবার কেন্দ্রীয় সরকার সংশ্লিষ্ট পাঁচটি রাজ্যকে চিঠি দিয়ে পুরো বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছে। একই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে রোগের বিস্তার ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো পরামর্শ দিয়েছে। 

আরও পড়ুন-  তবে কী দেশে আছড়ে পড়ল দ্বিতীয় ঢেউ, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় ৫ রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের 

রবিবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ১,০৯,৯১,৬৫১ জন COVID-19-এ আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১,৫৬,৪৪২, ও ১,৪৫,৬৩৪ টি অ্যাক্টিভ কেস পাওয়া গিয়েছে। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, রবিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে ১,১০,৮৫,১৭৩ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্য় মন্ত্রকের মতে দেশে মোট সক্রিয় কেসলোডের ৭৪ শতাংশেরই কেরল ও মহারাষ্ট্র থেকে। এই দুটি রাজ্য ছাড়াও ছত্তিশগড়, মধ্য প্রদেশেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটা বেশি বলেও দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাসাপাশি পঞ্জাব ও জম্মু ও কাশ্মীরে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। দেখে নিন করোন ভাইরাস সংক্রমণে দৈনিক পজেটিভ কেস এর সংখ্যা।
 

 

আরও পড়ুন- রামদেবের করোনিল নিয়ে আবারও বিতর্ক , বিবৃতি পাল্টা বিবৃতি WHO আর পতঞ্জলির ...

১) মহারাষ্ট্র- ২১,০০,৮৮৪ আক্রান্তের সংখ্যা, ৫১,৭৮৮ মৃত্যু, ১৯,৯৪,৯৪৭ সুস্থ হয়েছেন।

২) কেরালা: ১০,৩৪,৬৫৭ আক্রান্তের সংখ্যা, ৪,০৮৯ মৃত্যু, ৯,৭১,৯৭৫ সুস্থ হয়েছেন।

৩) কর্ণাটক: ৯,৪৮,১৪৯ আক্রান্তের সংখ্যা, ১২,২৯৪ মৃত্যু, ৯,২৯,৮০০ সুস্থ হয়েছেন।

৪) অন্ধ্র প্রদেশ: 8৮,৮৯,২৯৮ আক্রান্তের সংখ্যা, ৭,১৬৭ মৃত্যু, ৮,৮১,৫১১ সুস্থ হয়েছেন।

৫) তামিলনাড়ু: ৮,৪৮,২৭৫ আক্রান্তের সংখ্যা, ১২,৪৬০ মৃত্যু, ৮,৩১,৭০৬ সুস্থ হয়েছেন।

৬) দিল্লি: ৬,৩৭,৯০০ আক্রান্তের সংখ্যা,  ১০,৯০০ জন মৃত্যু, ৬,২৫,৯২৯ সুস্থ হয়েছেন।

৭ উত্তর প্রদেশ: ৬,০২,৭৮৫ আক্রান্তের সংখ্যা,  ৮,৭১৫ জন মৃত্যু, ৫,৯১,৭০০ সুস্থ হয়েছেন।

কেরালায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৪,০৭০ টি, যা প্রতিদিনের ৭.১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৫৭,২৪১ টি টেস্ট হয়েছে। কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে পজেটিভ হার ৫ শতাংশ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

এর পাশাপাশি মহারাষ্ট্রে আরও ৬,৯৭১ টি পজেটিভ কেস পাওয়া গিয়েছে, পরীক্ষা করেছেন, ৬৭,৫১৭ জন। পরীক্ষার সাথে প্রতিদিনের পজেটিভ কেস ১০.৩ শতাংশ হারে পাওয়া যাচ্ছে।

ছত্তীসগড়ে, প্রতিদিনের আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৫৩। এই সংখ্যাটি ৩,১০,৮৮৫ তে পৌঁছেছে, এর মধ্যে ৩,৮০০ জন মারা গেছেন এবং ৩,০৩,৯৭৩ সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

পশ্চিমবঙ্গে ১৮২ টি নতুন কেস বেড়েছে, যা রাজ্যের সংখ্যা মোট সংখ্যা ৫,৭৩,৭৬২ জন। রাজ্যে ১০,২৪৯ জন রোগী মারা গেছেন এবং ৫,৯৯,৯৮ জন সুস্থ হয়েছেন।

কেরল এবং মহারাষ্ট্র প্রথম থেকে উদ্বেগের মধ্যে ছিল। এখনও পর্যন্ত তার সুরাহা হয়নি বলেও জানিয়েছে প্রশাসান। রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজারেরও বেশি। মৃত্যু হয়েছে ৯০ জনের। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৯,৯১, ৬৫১। দেশে এখনও পর্যন্ত ১ কোটিরও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে।