ক্রমবর্ধমান পেট্রোলের দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী চিঠি লিখেছেন প্রধানমনমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি বলেছেন জনগণের দুঃখ আর দুর্দশা থেকে থেকে লাভ করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। পেট্রোলের দাম ইতিহাস তৈরি করেছে রেকর্ড হারে দাম বেড়েছে বলেও তিনি লিখেছেন। সনিয়া গান্ধী বলেছেন দেশের অধিকাংশ এলাকায় লিটার প্রতি পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। পেট্রোল আর ডিজেলের ক্রমবর্ধমান দাম দেশের মধ্যবিত্ত, কৃষকদের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। 

হিমবাহ হ্রদ্রের তল পেতে হেলিকপ্টারে অভিযান, কঠিন পথে নৌবাহিনীকে সাহায্য বিমান বাহিনীর ...

'আমাদের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলা সহজ নয়', কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কি সিবিআই-এর নোটিশ নিয়েই তোপ মুখ্যমন্ত্রীর ...
সনিয়া গান্ধী তাঁর লেখা চিঠিতে অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে অপিরশোধিত তেলেন দাম খুব মোটের ওপর আয়ত্বে রয়েছে। কংগ্রেস জমানায় অপরিশোধিত তেলের দামের তুলনায় এখন তেলের দাম অর্ধেক। তাও কেন এত দাম বাড়চ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করেন সনিয়া গান্ধী। এরপরই তিনি অভিযোগ করে বলেন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম গত দুই দশকের থেকে অনেকটাই কমেছে। কিন্তু তারপরেও টানা ১২ দিন ধরে মহারাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের তেলের দাম বেড়েই যাচ্ছে। 

সনিয়া গান্ধী তাঁর লেখা চিঠিতে মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন ভারতে চাকরিজীবি মধ্যবিত্তি ও দিনমজুর ও কৃষকরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। পেট্রোলের দাম বাড়ায় তাঁদের লড়াই আরো কঠিন হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন কেন্দ্রীয় সরকার মেট্রো ও ডিজেলের ওপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক আদায় করার জন্য অযৌক্তিক পথ অবলম্বন করছে। লিটার প্রতি পেট্রোল থেকে ৩৩ টাকা আর ডিসেল থেকে ৩৪ টাকা কর হিসেবে আদায় করা হচ্ছে। যা জ্বালানি তেলের দামের থেকে অনেকটাই বেশি বলেও দাবি করেন তিনি। গোটা বিষয়টিকে তিনি এক্সটর্শন বলেও দাবি করেছেন। তিনি আরও বলেন সরকার কী করে জনগণের থেকে এভাবে টাকা  আদায় করেছে তা তাঁর বোধগম্য হচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন সনিয়া গান্ধী। 

পেট্রোল ও ডিজেসের মূল্য বর্তমানে আকাশ ছোঁয়া। এই অবস্থায় দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চেন্নাইতে তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত একটি প্রকল্প উদ্বোধন করতে গিয়ে পেট্রোলের এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য পূর্বতন সরকারের ঘাড়েই দায় চাপিয়েছিলেন। তিনি বলেন আগের সরকার যদি পেট্রোল আমদানির তুলনায় উৎপাদনে বেশি মনোনিবেশ করতে তাহলে বর্তমানে মধ্যবিত্তের ওপর এমন বোঝা চাপত না।