'টিকাকরণের অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে' বৃহস্পতিবার কোভিড মোকাবিলায় ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  ভোটের ফলপ্রকাশের পর প্রথমবার বৈঠকে মুখোমুখি মোদী-মমতা।

আরও পড়ুন, কোভিডে রাজ্যে একদিনে মৃত ১৫৭ , বাড়িতে বসেই করোনা পরীক্ষার ছাড়পত্র দিল ICMR 

 বৃহস্পতিবার কোভিড মোকাবিলায় ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, 'টিকাকরণের অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে।' এদিন বৈঠকে তিনি বলেছেন, টিকা সরবারহের টাইমলাইন তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে টিকাকরম নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর হবে। টিকাকরণ ক্যালেন্ডার নিয়ে প্রচার করা হবে।' এদিন বেলা ১১ টা নাগাদ বৈঠক শুরু হয়েছে।  উপস্থিত আছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং অন্যান্য আধিকারিকরা। বৈঠকে রয়েছেন আরও ৯ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও।বাংলায় ৯ টি জেলার কোভিড পরিস্থিতি এবং সরকারি ব্যবস্থাপনা নিয়ে এই ভার্চুয়াল বৈঠক হবে। প্রসঙ্গত, ভ্যাকসিন ইস্যু, অক্সিজেন ইস্যু, করোনার ওষুধ ইস্যু নিয়ে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। কিন্তু কখনওই কোনও বৈঠক হয়নি। মোদীর বিরুদ্ধে বৈঠকে না থাকার অভিযোগ করেছেন মমতা। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির জন্য যা রীতিমত উদ্বেগ জনক। এরপরেই  ভোটের ফলপ্রকাশের পর প্রথমবার বৈঠকে মুখোমুখি মোদী-মমতা।


আৎও দেখুন, কোভিডে রাজ্যে একদিনে মৃত ১৫৭ , বাড়িতে বসেই করোনা পরীক্ষার ছাড়পত্র দিল ICMR  

অপরদিকে, নারদ-মামলায় ৪ নেতা-মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এদিন জামিন হবে কিনা তা নিয়ে শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। কিন্তু শেষ অবধি তা পিছিয়ে শুক্রবারে নিয়ে যাওয়া হয়েছ।  তার মাঝে কোভিডে মৃত্যু মিছিল। এমনই কঠিন পরিস্থিতিতে মোদী-মমতার বৈঠক প্রভাব পড়েছে বলেই গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, প্রথমে ৯ জেলার জেলাশাসক এবং স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সেই বৈঠক বাদ থাকবেন কেন বলে প্রশ্ন ওঠে। তারপরে প্রধানমন্ত্রীর দফতরেরর তরফে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীও থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। যদিও এদিন মোদীর বৈঠকে সামিল হয়েও কথা বলতে পারার অবকাশ না পেয়ে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।