বিশ্বব্যপী মানুষকে ঘরে বসে আছেউৎপাদন প্রায় বন্ধভেঙে পড়ার মুখে এতদিনের চেনা অর্থনীতিএই অবস্থায় বড় ঘোষণা করল জি-২০ দেশগুলি 

বিশ্বব্যপী করোনভাইরাস মহামারী মানুষকে ঘরে বসিয়ে দিয়েছে। উৎপাদন প্রায় বন্ধ। ভেঙে পড়ার মুখে এতদিনের চেনা অর্থনীতি। এই অবস্থায় করোনাভাইরাস মোকাবিলা ও বিশ্ব অর্থনীতিকে রক্ষা করার উপায় সন্ধানের জন্য বৃহস্পতিবার এক জরুরি অনলাইন সম্মেলন করল জি-২০ দেশগুলি। সেখানে কোভিড-১৯'এর বিরুদ্ধে একটি ঐক্যফ্রন্ট লড়াইয়ের অঙ্গীকার করেছেন ১৯টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা। সেইসঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য তাঁরা ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ইনজেক্ট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সম্মেলনের পর জি-২০"র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মহামারীটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সংহতির চেতনায় স্বচ্ছ, শক্তিশালী, সমন্বিত, বৃহত্তর ও বিজ্ঞান ভিত্তিক বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া দিতে হবে। আমরা এই হুমকির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ'। ওই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লুএইচও)-কে ঢেলে সাজাবার আহ্বান জানিয়েছেন। এই সংক্রমণ প্রতিরোধে হু-এর কাছ থেকে তিনি একটি কংক্রিট অ্যাকশন পরিকল্পনা চেয়েছেন।

Scroll to load tweet…

মোদী বলেন, এই ধরণের পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন সংকট ব্যবস্থাপনা প্রোটোকল এবং বৈশ্বিক সংস্থাগুলির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো প্রয়োজন। সমগ্র মানবজাতির সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি নতুন বিশ্বায়নের সূচনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, চিকিৎসা গবেষণা সকল দেশের জন্য অবাধ ও উন্মুক্ত হওয়া হওয়া উচিত। বিশ্বব্যপী যে মহামারী দেখা দিয়েছে, এর মোকাবেলায় কার্যকর টিকা তৈরির জন্য হু-কে আরও শক্তিশালী করা জরুরি।

Scroll to load tweet…

প্রায় ২০ টি শিল্পোন্নত দেশকে নিয়ে এই রাষ্ট্রপুঞ্জ তৈরি। মহামারীটির সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আর্থিক প্রভাব মোকাবিলার ক্ষেত্রেও তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে বলে জানানো হয়েছে। তাঁরা এর জন্য ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বিশ্ব অর্থনীতিতে ঢালার কথা দিয়েছে। তাঁদের মতে এতে করে বিশ্ব অর্থনীতিকে নিজের পায়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা এবং প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত তৈরি করবে।

এর আগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্ক জি -২০ দেশগুলিকে দরিদ্র দেশগুলির ঋণ মকুবের আহ্বান জানিয়েছিল। করোনভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে এই দরিদ্র দেশগুলির লড়াই করার ক্ষমতা প্রায় নেই বললেই চলে। অর্থ এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সুবিধা দুইয়েরই ব্যাপক অভাব রয়েছে বলে বাড়তে থাকা করোনাভাইরাস-এর প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এই দেশগুলিকে নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।