ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাকে সংক্রমিত হওয়ার ঘটনার দ্রুততার সঙ্গে বাড়ছে। মারাত্মক এই রোগের হাত থেকে আক্রান্তদের বাঁচাতে দ্রুততার সঙ্গে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারত সরকার। এই রোগের গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ অ্যাম্পোটেরিসিন বি ইনজেকশনের যোগান বাড়তে ইতিমধ্যেই আরও পাঁচটি সংস্থাকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুততার সঙ্গে ওষুধ তৈরি করে সরবরাহ করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছিলেন এই ইনজেকশনগুলি বিশ্বেরযে সব দেশে পাওয়া যায় সেখান থেকে দ্রুততার সঙ্গে সেগুলি আমদানি করতে হবে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকরা অ্যাম্পোটেরিসিন বি ইনজেকশন সংগ্রহ করতেও শুরু করেছেন। এই বিষয়ে ভারতকে বিশেষ সহযোগিতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গিলিয়েড সায়েন্স ওব আমেরিকা।  এই সংস্থা থেকে এখনও পর্যন্ত ১২১.০০০ শিশি এই ইনজেকশন সরবরাহ করা হয়েছে এই দেশে। আরও ৮৫ হাজার ওষুধ খুব দ্রুত ভারতে এসে পৌঁছায়ে বলেও জানান হয়েছে। 
সংস্থাটি মাইলান ল্যাবের মাধ্যমে ভরতকে এই ওষুধ ও ইনজেকশন পাঠাবে বলেও জানান হয়েছে। সূত্রের খবর গিলিয়েড ইতিমধ্যেই অন্যান্য দেশ থেকে তাদের ওষুধ তুলে নিয়েছে যাতে ভারতে তা সরবরাহ করা যায়। 

যে পাঁচ নির্মাতাকে ভারত সরকার অ্যাম্পোটিরিকিন বি ইনজেকশন উৎপাদনের লাইসেন্স গিয়েছে সেগুলি হল ইটারাবাট, আলেম্বিক ফার্মাসিউটিক্যল, ভাদোদরা, গুফিক বায়োসায়েন্স লিমিটেড, গুজরাট, এমকারার ফার্মাসিউটিক্যালস পুনে ও লিপার গুজরাট। এই সংস্থাগুলি চলতি বছর জুলাই থেকে প্রতি মাসে ১.১১.০০০ ভয়াল ইনজেকশন সরবরাহ করতে পারবে বলেও একটি বিবৃতিতে জানান হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর জুন মাস থেকেই এই ইনজেকশনের প্রাপ্যতা বৃদ্ধিপাবে দেশে। আগে থেকেই দেশে এই ওষুধ তৈরি করল ভারত সারমস ও ভ্যাকসিন লিমিটেড, বিডিআর ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সান ফার্মা, সিপলা, লাইফ কেয়ার ইনোভেশনস আর মাইলান ল্যাবস।